মাদারীপুরের সরকারী নাজিমউদ্দিন কলেজের গণিত বিভাগের শিক্ষক রিপন চক্রবর্তী হত্যা চেষ্টার কথিত মূল পরিকল্পনাকারী ও অর্থদাতা খালিদ সাইফুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট। বৃহস্পতিবার যাত্রাবাড়ির মাতুয়াইল এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
শুক্রবার ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির উপ-কমিশনার (জনসংযোগ) মাসুদুর রহমান সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
মাসুদুর রহমান বলেন, সাইফুল্লা জেএমবির শীর্ষ পর্যায়ের নেতা। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে স্বীকার করেছে। তার অধীনে ৪৯ জন সক্রিয় সদস্য দেশের বিভিন্ন স্থানে কথিত এক আমীরের নিদের্শে বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে চলেছে।
তিনি আরো বলেন, সে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জেএমবির শীর্ষ পর্যায়ের নেতা, তার অধীনে ৪৯ জন সক্রিয় সদস্য দেশের বিভিন্ন স্থানে কথিত আমীরের নিদের্শে বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে।
বন্দুকযুদ্ধে নিহত ফাহিমের মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে যাত্রাবাড়ির মাতুয়াইল এলাকা থেকে সাইফুল্লাহকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট বলেও জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।
প্রসঙ্গত, খালেদ সাইফুল্লাহ মাদারীপুরের সরকারী নাজিমউদ্দিন কলেজের গণিত বিভাগের প্রধান কাজী বেলায়েত হোসেনের ছেলে। শিক্ষক কাজী বেলায়েতের অসুস্থ হলে তাকে দেখতে তার বাড়িতে যান রিপন চক্রবর্তী। ওই সময় রিপনকে হত্যার পরিকল্পনা করে খালেদ সাইফুল্লাহ।
এরপর জেএমবির কথিত এক আমীরের নিদের্শে ১৫ জুন ওই শিক্ষকের বাড়িতে ফাহিমসহ ৩ থেকে ৪ জন হামলা চালায়। আর খালেদ সাইফুল্লাহ হামলা চলাকালীন সময় বাড়ির বাইরে থেকে মনিটর করে।
শিক্ষক রিপন চক্রবর্ত্তী হত্যা চেষ্টায় মূল পরিকল্পনাকারী ও অর্থদাতা এ খালিদ সাইফুল্লাহ্।