পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলার সন্দেহভাজন দুই আসামি রাশেদ ও নবী চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
এ মামলায় গ্রেপ্তার ভোলা ও মনিরের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ ও ওয়াসিম এবং আনোয়ারের বক্তব্যে উঠে আসে বাবুল আক্তারের অন্যতম সোর্স মুছার নাম।
তবে মিতু হত্যা রহস্য তার স্বামী এসপি বাবুলের অন্যতম সোর্স মুছাতেই আটকে আছে তার মধ্যে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে।
এ মামলার আসামি ও পুলিশ জানায়, মুছাই জানে এ খুনের নেপথ্যে কে বা কারা— কিন্তু মুছারই হদিস নেই।
পুলিশ জানিয়েছে, মুছা ও অন্যান্য আসামিদের ধরতে অভিযান চলছে।
তারা এটাও জানিয়েছে, খুনের আদ্যোপান্ত জানে মুছাই কিন্তু সেই মুছাকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। যদিও আনোয়ার ও ওয়াসিমকে গ্রেপ্তার করার পর পুলিশের ইঙ্গিত ছিল মুছাসহ অন্য আসামিরা তাদের জালেই আছে।
জবানবন্দিতে আনোয়ার ও ওয়াসিম বলেছে, হত্যার আগের দিন মুছার বাসায় ঘুমায় তারা। খুনের পর মুছার মোটরসাইকেলে করেই পালিয়ে যায় ওয়াসিম ও নবী। খুনের জন্য মুছা তাদের প্রত্যেককে এক হাজার করে টাকা দেয়। এসব বক্তব্যে প্রমাণ হয় এই খুনের পরিকল্পনাকারী কে তা মুছাই বলতে পারবে।
মুছা ও অন্যান্য আসামিরা যাতে দেশ ছেড়ে পালাতে না পারে সেজন্য বিমান ও স্থলবন্দরে বিশেষ সতর্কতা পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ বলছে, তাদের গ্রেপ্তার করতে পারলে মামলার তদন্ত অনেকটাই শেষ হয়ে আসবে।
গত ৫ জুন সকালে ছেলেকে স্কুলে নেওয়ার পথে চট্টগ্রামের জিইসি মোড় এলাকায় দুর্বৃত্তদের কোপ ও গুলিতে নিহত হন মাহমুদা খানম মিতু। এ ঘটনায় তাঁর স্বামী বাবুল আক্তার বাদী হয়ে একটি মামলা করেন।