নাটোরে পুলিশের প্রাথমিক তালিকায় গত দুই বছরের নিখোঁজ হয়েছেন ৪৪ জন।
পুলিশ জানিয়েছে, নিখোঁজদের মধ্যে শিক্ষিত তরুণদের সংখ্যাই বেশি— তবে এলাকাবাসীর অভিমত নিখোঁজের সংখ্যা আরো বাড়বে।
রাজধানীর গুলশান ও কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় জঙ্গি হামলার পর নাটোরের পুলিশ প্রশাসন নিখোঁজদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহে তৎপর হয়ে উঠেছে।
নাটোরের ৭টি উপজেলার মধ্যে ৪টি উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। অবশ্য জেলা পুলিশের তালিকা অনুযায়ী এ সংখ্যা মাত্র ৪৪ জন।
স্থানীয়দের মতে, বাস্তবে নিখোঁজের সংখ্যা কয়েক গুণ বেশি হবে। অনেক খোঁজ করেও স্বজনরা সন্ধান না পেয়ে বেশ কিছু পরিবার হাল ছেড়ে দিয়েছেন।
আর পুলিশ প্রশাসনও এতোদিন নিখোঁজদের সম্পর্কে তেমন কিছু জানতো না। সম্প্রতি গুলশান ও শোলাকিয়ায় জঙ্গি হামলার পর নিখোঁজ তরুণদের বিষয়ে এলাকাবাসীর পাশাপাশি তৎপর হয়েছে পুলিশ প্রশাসন।
নিখোঁজদের কেউ জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত করে বলতে পারছে না আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।
নিখোঁজদের তথ্য হালনাগাদ শুরু করেছে বলে জানান নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আকতার জাহান।
এ সময় তিনি বলেন, সন্ত্রাস-জঙ্গি দমনে প্রশাসন কাজ করছে।
নাটোরের পুলিশ সুপার শ্যামল কুমার মুখার্জী বলেন, তালিকা তৈরি করে নিখোঁজদের কেউ জঙ্গি গ্রুপে জড়িত হয়ে পড়েছেন কি না, তা অনুসন্ধান করা হচ্ছে।