সারাদেশে নিখোঁজ ২৬২ জনের তালিকা প্রকাশ করেছে র্যাব— এরই মধ্যে তালিকার নিখোঁজদের কারো কারো খোঁজ মিলেছে।
পারিবারিক কলহ, প্রেমঘটিত নানা কারণেও অনেকে বাড়ি ছেড়েছেন। কেউ আবার মামলার আসামি হিসেবে কারাগারে আটক আছেন। এর বাইরেও নতুন করে আরো অনেকের নিখোঁজ হওয়ার খবর মিলছে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে।
পুলিশ ও র্যাবের গোয়েন্দাদের তথ্যের ভিত্তিতে সারাদেশের ২৬২ জন নিখোঁজের তালিকা প্রকাশ করা হয় র্যাবের ফেসইবুক পাতায়।
তবে ঢাকা মহানগর পুলিশ-ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া জানিয়েছেন, নিখোঁজ তালিকার সবাই জঙ্গি কার্যক্রমে সম্পৃক্ত নয়। নিখোঁজ তালিকার কেউ কেউ এরমধ্যে ফিরে এসেছেন।
তালিকার ১ নম্বরে থাকা সাইদুল ইসলাম রাজধানীর একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অফিস সহকারি হিসেবে কাজ করছেন। আর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রহমতউল্লাহ শিক্ষক হত্যায় জড়িত অভিযোগে কারাগারে আটক।
এ তালিকায় থাকা জিলানী ওরফে আবু জান্দাল সিরিয়ার যুদ্ধে নিহত বলে দাবি করেছে আইএস।
অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পরে নিখোঁজ হয়েছিলেন মগবাজারের ব্যবসায়ী ছানাউল্লাহ, চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা ফরহাদ হোসেন।
আবার অনেকের নিখোঁজ হওয়ার খবরটিও সঠিক নয় – যার মধ্যে রয়েছে মগবাজারের জাহাঙ্গীর আলম, সুনামগঞ্জের সৈয়দ জাহাঙ্গীর।
দুমাসেরও বেশি সময় নিখোঁজ থাকার পর ফিরে এসেছেন এমন তালিকায় আছেন ঢাকা সেনানিবাসের দুই বাসিন্দা আফিফ মানসিফ চৌধুরী ও শামীম দেওয়ান।
দু-একদিন কিংবা এক সপ্তাহ নিখোঁজ থাকার পর ফিরে আসার মধ্যে রয়েছে রাজধানীর বাসিন্দা মাহমুদুর রহমান কাজল, আদনান, মেহেদী হাসান, এস এম তাহসান ও মুদি দোকানী ছানাউল্লাহ।
এ ছাড়া, দাম্পত্য কলহ, প্রেমঘটিত কারণে নিখোঁজ ছিলেন কুষ্টিয়ার মারজুক হায়দার, চাঁপাইনবাবগঞ্জের রাজমিস্ত্রি বাদশা আলী।
এ তালিকার বাইরে দিনাজপুর, নাটোরসহ দেশের বিভিন্ন জেলায়ও নিখোঁজের সংখ্যা বাড়ছে বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও এ তালিকা হালনাগাদের নির্দেশ দিয়েছে।