প্রত্যেকের দেহে গুলির চিহ্ন আছে—উল্লেখ করে ময়নাতদন্তকারী দলের প্রধান সোহেল মাহমুদ বলেন, জঙ্গিরা উত্তেজক কোনো ওষুধ খেয়েছিলো কিনা তা জানতে ভিসেরা পরীক্ষার জন্য আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে।
বুধবার দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কল্যাণপুরে নিহত ৯ জঙ্গির সুরতহাল প্রতিবেদন পৌঁছায়। এরপর কাজ শুরু করেন ময়নাতদন্তকারীরা। সুরতহাল প্রতিবেদনের কারণে সকাল থেকে শুরু করা যায়নি ময়নাতদন্ত।
প্রায় দেড় ঘণ্টার বেশি সময় ধরে চলে নিহত জঙ্গিদের ময়নাতদন্ত। মর্গ থেকে বেরিয়ে আসেন চিকিৎসকরা।
সোহেল মাহমুদ বলেন, প্রত্যেকের শরীরে সাত থেকে আটটি গুলির চিহ্ন ছিলো। প্রত্যেকে গুলিতেই নিহত হয়েছে। এছাড়া ৪ জনের শরীর থেকে বুলেট বের করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
তিনি আরো বলেন, ময়নাতদন্তের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পেতে ১ মাস সময় লেগে যাবে— তবে কোনো সংস্থা চাইলে সাময়িক প্রতিবেদন দিতে পারবেন তারা। নিহতরা কোনো ধরনের ওষুধ সেবন করেছিলো কিনা তা খতিয়ে দেখতে কেমিক্যাল টেস্টের জন্য আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার রাত ভোর কল্যাণপুরে জঙ্গি আস্তানায় অভিযান চালায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ভোরে ‘অপারেশন স্টর্ম ২৬’ চালায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথদল। এ অভিযানে নিহত হয় ৯ জঙ্গি। পরে বিকেলে জঙ্গিদের মৃতদেহ ময়নাতদন্ত করতে অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে নিয়ে যায় পুলিশ।