কল্যাণপুরের নিহত ৯ জঙ্গির একজন সাব্বিরুল—তা নিশ্চিত হলে তার মৃতদেহ গ্রহণ করবেন না বলে জানিয়েছেন তার বাবা স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আজিজুল হক। তবে এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করে দেশবাসিকে জানাবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
বুধবার সকালে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের কার্যালয়ে আবারো ছবি দেখে সন্দেহ প্রকাশ করেন তিনি।
‘ছবিটি যদি সাব্বিরুলের হয়, তবে মরদেহ আনতে যাব না— গণমাধ্যম ডেকে জাতির কাছে ক্ষমা চাইব’ বলে জানান আজিজুল হক।
কল্যাণপুরে নিহত নয় জঙ্গির ছবি প্রকাশের পর সাব্বিরুল হকের সঙ্গে একজনের চেহারার মিল পান তার বাবা ও স্বজনরা।
সাব্বিরের বাবার বরাত দিয়ে পুলিশ সুপার নূরে আলম মিনা জানিয়েছেন, চট্টগ্রামের আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সাব্বির গত পাঁচ মাস ধরে নিখোঁজ। ২১ ফেব্রুয়ারি রাউজানে একটি বিয়েতে যাওয়ার কথা বলে নিরুদ্দেশ হয় সে।
পুলিশ সুপার আরো জানিয়েছেন, বছর খানেক ধরে তার আচরণে পরিবর্তন এসেছিল বলে জানান তার সাব্বিরুলের বাবা ।
এদিকে, কল্যাণপুরে নিহত জঙ্গি জুবায়ের হোসেন জামাত শিবিরের কর্মী ছিল বলে জানিয়েছেন তার বাবা আব্দুল কাইয়ুম।
নিখোঁজের আগে চট্টগ্রামের আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সাব্বিরুল হক কনিকের আচরণেও পরিবর্তন এসেছিল বলে জানিয়েছেন তারা।
নোয়াখালি সরকারি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র জুবায়ের হোসেন। বাড়ি সদর উপজেলার পশ্চিম মাইজদী গ্রামে। গত ২৫ মে নিখোঁজ হয় সে।
গত ১২ জুলাই সুধারাম থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছিলেন আব্দুল কাইয়ুম। পুলিশও জানিয়েছে তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছিল।
এই দুইজনের পরিচয় নিশ্চিত করতে জুবায়ের ও সাব্বিরের বাবা ঢাকায় আসছেন বলেও জানায় পুলিশ।