ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার রামরাইল ইউনিয়নের সেন্দ গ্রামে ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি)সদস্য আনোয়ার হোসেন (৪৫) হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এদিকে, নাটোরের লালপুর উপজেলায় আব্বাস উদ্দিন (৫৫) নামে এক আওয়ামী লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
শনিবার রাতে ওই ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে গুরুতর জখম পরে তার মৃত্যু হয়। তিনি ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ছিলেন।
সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঈনুর রহমান বলেন, পূর্ববিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের লোকজন আনোয়ারকে হত্যা করেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় মামলা করা হবে।
জানা গেছে, গতকাল রাতে স্থানীয় বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন আনোয়ার। পথে তার ওপর হামলা হয়। তাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে দুর্বৃত্তরা। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে নেন। সেখান থেকে ঢাকায় আনার পথে মৃত্যু হয় তার।
এদিকে, নাটোরের লালপুর উপজেলায় আব্বাস উদ্দিন (৫৫) নামে এক আওয়ামী লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
শনিবার রাতে উপজেলার এবি ইউনিয়নের বরমহাটি স্কুলের কাছে দুর্বৃত্তদের হামলায় গুরুতর আহত হওয়ার পর রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
এছাড়া হামলায় আব্বাসের সঙ্গে থাকা স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের এক নেতাও আহত হন।
নিহত আব্বাস উপজেলার বরমহাটি গ্রামের প্রয়াত বলাই শেখের ছেলে। তিনি এবি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ছিলেন। সাবেক মেম্বর আব্বাস উদ্দিন (৫৫) দুর্বৃত্তের হামলায় হয়েছেন।
লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু ওবায়েদ জানান, আব্বাস উদ্দিন ও স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতা উজির আলী শেখ শনিবার রাত ৮টার দিকে বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। বরমহাটি স্কুলের কাছে পৌঁছলে দুর্বৃত্তরা তাদের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাদের কুপিয়ে জখম করে এবং হাতুড়ি পেটা করে হাত ও পা ভেঙ্গে দেয়।
তিনি জানান, পরে স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে প্রথমে লালপুর উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে আব্বাস উদ্দিনের অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ১০টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
এছাড়া হামলায় আহত উজির আলী শেখকে লালপুর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে বলে জানান ওসি।
লালপুর হাসপাতালে কর্তব্যরত ডাক্তার সুরুজ্জামান শামিম জানান, আব্বাস উদ্দিনের ডান হাত ও বাম পা ভেঙ্গে যাওয়া ছাড়াও মাথাও পায়ে ধারালো অস্ত্রের আঘাত ছিল। আর উজির আলীর মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে।