রাজধানী গুলশান ও কল্যাণপুরের ঘটনার মূলহোতা তামিম আহমেদ চৌধুরী ও চাকুরিচ্যুত মেজর জিয়া ঢাকাতেই রয়েছে বলে পুলিশের ধারণা— বলে জানিয়েছেন বাহিনীর কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম।
শুক্রবার সকালে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডেএমপি) মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সাংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
মনিরুল ইসলাম বলেন, গুলশান হামলার সময় ঘটনাস্থলের আশপাশে থেকে জঙ্গিদের সঙ্গে তথ্য আদান-প্রদান করেছে এমন একজনকে সনাক্ত করা হয়েছে। তার সাংগঠনিক নাম মারজান এবং সেও গুলশান হামলার একজন মূলহোতা। মারজান বাংলাদেশি নাগরিক ও ঢাকাতেই রয়েছে। এ ৩ জনকে ধরতে পুলিশ তৎপর রয়েছে।
এর আগে সনাক্ত হওয়া তামিম ও মেজর জিয়া রাজধানী ঢাকাতেই অবস্থান করছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের কাউন্টার টেরিজম ইউনিটের এ প্রধান।
গুলশান হামলায় নিহত হলি আর্টিজানের রন্ধনকারী সাইফুল চকিদার জঙ্গি কি-না?— এমন প্রশ্নের জবাবে পুলিশের এ কর্মকর্তা বলেন, সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার তাহমিদ ও হাসনাতের বিষয়ে রিমান্ড শেষে এ বিষয়ে নিশ্চিত করে বলা যাবে।
এদিকে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে গুলশান ও কল্যাণপুরের ঘটনার জড়িতদের সম্পর্কে পুলিশ আরো নতুন তথ্য পেয়েছে। আর এ সব ঘটনায় মূলহোতা হিসেবে পুলিশের তদন্তে তামিম-জিয়ার পর এবার মারজান নামে আরেকজনের নাম এসেছে।
জঙ্গিরা পুলিশের সনাক্ত করা বসুন্ধরার বাসা থেকেই গুলশান হামলায় অংশ নেয় বলে পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে।