ছাত্র ইউনিয়ন কর্মী আফসানা ফেরদৌসের মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা রবিনকে ৪ দিনেও ধরতে পারেনি পুলিশ। ঠিক কোথায় থেকে আফসানাকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছিল তাও চিহ্নিত করতে পারেনি পুলিশ।
কাফরুল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিকদার মোহাম্মদ শামীম হোসেন বলেন, ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড কি-না? তা নিশ্চিত হতে আরো কয়েকদিন সময় লাগবে। তবে তার (আফসানা ফেরদৌসের) শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
জানা গেছে, তেঁজগাও কলেজের ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুর রহমান ওরফে রবিন কয়েক বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে আফসানাকে হত্যা করেছে। আফসানার মৃত্যুতে অভিযুক্ত রবিনকে ধরতে পারেনি পুলিশ।
তবে সন্দেহভাজন রবিনসহ তার বন্ধুদের ধরতে পারলে ঘটনার রহস্য উদঘাটন হবে— উল্লেখ করে মিরপুর বিভাগের উপ-কমিশনার মাসুদ আহাম্মদ বলেন, তাদের ধরার চেষ্টা করছে পুলিশ।
এদিকে, ছাত্র ইউনিয়নের কর্মী আফসানা ফেরদৌসীর মৃত্যুর ঘটনায় শুক্রবার নেত্রকোনায়সহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। তাকে হত্যা করা হয়েছে দাবি করে এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়।
গতকাল বৃহস্পতিবার আফসানাকে হত্যা করা হয়েছে দাবি করে তার জন্মস্থান ঠাঁকুরগাঁওসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় শু মানববন্ধন করেছেন বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ।
উল্লেখ্য, মিরপুরের একটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্থাপত্য বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিল আফসানা ফেরদৌস এবং ছাত্র ইউনিয়নের কর্মীও ছিল সে। গত শনিবার দিবাগত রাতে রাজধানীর মিরপুরের একটি হাসপাতাল থেকে আফসানার মৃতদেহ নিয়ে যায় পুলিশ।