যশোরে হিজবুত তাহরিরের চার জঙ্গি আত্মসমর্পন করার পর জেহাদি তৎপরতার পাশাপাশি অস্ত্র প্রশিক্ষণ সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে পুলিশ।
যশোরের পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান পুরো জেলার জঙ্গি নেটওয়ার্কের শীর্ষ নেতাদের অনেকেই এখন পুলিশের জালে— জিরো টলারেন্স নীতিতে জঙ্গিরা আত্মসমর্পণে বাধ্য হচ্ছেন বলেও দাবি করেন।
এদিকে, আত্মসমর্পণকারীদের সম্পর্কেও রয়েছে নানা প্রতিক্রিয়া।
১৯৯৯ সালের ৬ মার্চ যশোরে উদীচীর জাতীয় সম্মেলনে হামলা চালিয়ে আত্মপ্রকাশ করে জঙ্গিগোষ্ঠী। ওই হামলায় ১০ জন নিহত ও বহু সংখ্যক আহত হন। এরপর জেলায় জঙ্গি তৎপরতা বিস্তৃতি পায়। সবশেষ রাজধানীর গুলশান ও কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়াসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে জঙ্গি হামলার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সন্দেহভাজন জঙ্গি-তালিকায় উঠে আসে যশোরের অনেকের নাম।
জঙ্গিগোষ্ঠীর এমন তৎপরতায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে জেলার সুধীমহলে— অতীতের জঙ্গি কর্মকাণ্ডের বিচার না হওয়াকেই এ জন্য দায়ী বলে মনে করেন তারা।
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি জঙ্গি বিরোধী কঠোর অবস্থান নেয়ায় কোণঠাসা হয়ে জঙ্গিরা আত্মসমর্পনে বাধ্য হচ্ছেন।
এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত কয়েক দিনে সাদিকুর রহমান পলাশসহ হিজবুত তাহরিরের ৪ সদস্য আত্মসমর্পণ করেছে। জেলার জঙ্গি নেটওয়ার্কের অনেক তথ্যই এখন তাদের কাছে রয়েছে বলে জানান পুলিশ সুপার।
আত্মসমর্পণকারী জঙ্গি সাদিকুরের বাবার দাবি, তার সন্তানের সঙ্গে আদৌ জঙ্গি কার্যক্রমের কোনো সম্পর্ক নেই।