নারায়ণগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানে নিহত তামিম চৌধুরীসহ নিহত ৩ জঙ্গির নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাত বেশ কয়েকজনকে আসামি করে মামলা করেছে পুলিশ। ইতোমধ্যে ভাড়াটেদের তথ্য গোপন করার অভিযোগে ওই ভবনের মালিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রোববার আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন পুলিশ সুপার মঈনুল হক।
তিনি বলেন, এতো সহজেই জঙ্গি হোতা তামিম চৌধুরীকে পাওয়া যাবে এটা ভাবেননি তারা।
নিহত ৩ জনের মধ্যে দুই জঙ্গি তামিম চৌধুরী ও ফজলে রাব্বির পরিচয় নিশ্চিত হয়েছে আর অন্যজনকে প্রাথমিকভাবে তাওসিফ হাসান বলে ধারণা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঢাকা মেডিকেলে নিহত ৩ জঙ্গিরই ময়নাতদন্ত শেষ হয়েছে বলেও জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।
মঈনুল হক বলেন, নারায়ণগঞ্জ শহরের পাইকপাড়ায় বড় কবরস্থানের পাশের এই বাড়িকে দুই মাস আগে ব্যবসায়ী পরিচয় দিয়ে ভাড়া নিয়ে আস্তানা বানায় জঙ্গিরা। কখনো পাঁচজন, কখনো তিনজন আবার কখনো একজনও অবস্থান করতো ওই বাড়িতে। জঙ্গিরা আস্তানা হিসেবে বাড়িটি ব্যবহার করা ও ভাড়াটিয়াদের তথ্য গোপন করার অভিযোগে মালিক নূরুদ্দিন দেওয়ানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের পর ছেড়ে দেয়া হয়েছে তার স্ত্রী, তিন সন্তানসহ বাকি ৯ জনকে।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর থানার ওসি আসাদুজ্জামান বাদী হয়ে সন্ত্রাস দমন আইনে একটি মামলা করেছেন বলেও জানান তিনি।
শনিবার সকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে সাম্প্রতিক জঙ্গি হামলার মূলহোতা তামিম চৌধুরীসহ নিহত হয় ৩ জঙ্গি।