ভারতীয় রুপির জাল নোট শনাক্ত করতে বাংলাদেশের ২০০ পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণ দেবে ভারতের জাতীয় তদন্ত সংস্থা-এনআইএ।
সংস্থাটির এক কর্মকর্তা বলেন, জাল রুপির পাচার বন্ধে জাল নোট শনাক্ত করতে বাংলাদেশি পুলিশদের প্রশিক্ষণের প্রয়োজন।
ভারতের রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়া, অর্থমন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র, মন্ত্রণালয়ের সম্মিলিত উদ্যোগে বাংলাদেশের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে বলে জানান ওই কর্মকর্তা।
তিনি বলেন, জাল নোট পাচারের হুমকি বন্ধে তাৎক্ষণিক গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় প্রস্তাব ও দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশকে।
বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১২ সালের আগে ভারতে কী পরিমাণ জাল নোট ছিল তার সঠিক পরিসংখ্যান না থাকায় তা বের করতে কলকাতাভিত্তিক একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেয় এনআইএ। ওই প্রতিষ্ঠানের হিসাবে ভারতে এখন ৭০ হাজার কোটি রুপির সমপরিমান মূল্যের জাল নোট আছে। এ অর্থ ভারতে ছড়িয়ে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের বড় ভূমিকা রয়েছে বলে মনে করেন এনআইএ এর কর্মকর্তারা।
জাল নোট শনাক্ত করতে বাংলাদেশে একটি ফরেনসিক পরীক্ষাগার স্থাপনেও ভারত সহযোগিতা করবে বলে তারা জানান।
গত কয়েক বছরে বাংলাদেশের সংস্থাগুলো ভারতীয় রুপির জাল নোট পাচারের এসব চক্রের বেশ কিছু ভেঙ্গে দিয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে জাল নোটবোঝাই শিপিং কন্টেইনারও আটক করা হয়।
ভারতের কর্মকর্তারা জানান, জাল রুপি ধরতে বাংলাদেশকে যন্ত্রও সরবরাহ করা হবে, যেগুলো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ইমিগ্রেশন, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বসানো হবে।