আদালত থেকে পালিয়ে যাওয়ার দুই দিনের মাথায় গারো তরুণী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি রাফসান হোসেন রুবেলকে আবারো গ্রেপ্তার করে মঙ্গলবার ১০ রিমান্ড চাইলে আদালত ৬ দিন মঞ্জুর করেছে।
সকালে রাজধানীর বাড্ডা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার মাসুদুর রহমান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাড্ডা এলাকার একটি বাসা থেকে সকাল সাড়ে সাতটার দিকে রুবেলকে আটক করা হয়।
রুবেলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা ছাড়াও, চাঁদাবাজি, ডাকাতির প্রস্তুতি, মাদকদ্রব্য ও সন্ত্রাসী ঘটনায় বাড্ডা থানায় আটটি এবং রামপুরা থানায় অস্ত্র আইনের একটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে একটি মামলায় তিনি সাজাপ্রাপ্ত।
গত শুক্রবার র্যা পিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যা ব-১) রুবেলকে গ্রেপ্তার করে পরদিন বাড্ডা থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। কিন্তু বাড্ডা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ইমরানুল হাসানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল রুবেলকে আদালতে নিয়ে যায়। সেখান রহস্যজনকভাবে রুবেল পালিয়ে যায়।
কড়া পাহারার ভিতর আসামি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার জন্য দুই পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করে পুলিশ প্রশাসন।
তারা হলেন: এসআই ইমরান ও কনস্টেবল দীপক।
উল্লেখ্য, গত ২৫ অক্টোবর এক গারো তরুণী উত্তর বাড্ডার একটি মেসে তার হবু স্বামীর সঙ্গে দেখা করতে যান। তখন এলাকার সন্ত্রাসী রুবেল ও তার সহযোগী ওই গারো তরুণীকে পাশের একটি বাড়িতে ধরে নিয়ে ধর্ষণ করেন।
ঘটনার ৯ দিন পর রুবেল গ্রেফতার হয়। তারপর ডিএমপির জনসংযোগ বিভাগ জানায় ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে ধর্ষণের কথা পুলিশের কাছে স্বীকার করে রুবেল।
তাই ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়ার জন্য তাকে আদালতে নেয়া হয়েছিল। তারপর কৌশলে সে পালিয়ে যায়।