প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বহনকারী বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটির ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ৯ জনের মধ্যে বাংলাদেশ বিমানের সাত কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট।
বাকি দুই আসামি আদালতে আত্মসমপর্ণ করলে তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বিমানের যান্ত্রিক ত্রুটির পেছনে দায়িত্বে অবহেলা ছাড়া বড় কোনো ষড়যন্ত্র ছিল কিনা তা জিজ্ঞাসাবাদে বের করা হবে বলে জানিয়েছেন কাউন্টার টেরিরিজম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম।
গত ২৭ নভেম্বর হাঙ্গেরি যাওয়ার পথে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটটি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে তুর্কমেনিস্তানের রাজধানী আশখাবাদে জরুরি অবতরণ করে। মেরামত শেষে প্রায় ৪ ঘণ্টা পর বিমানটি বুদাপেস্টের উদ্দেশে ছেড়ে যায়।
ঘটনার কয়েকদিন পর সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেন, দায়িত্বে অবহেলার কারণেই এ ঘটনা ঘটেছে।
গত মঙ্গলবার এ ঘটনায় বরখাস্ত ৯ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কর্তব্যে অবহেলা ও গাফিলতির অভিযোগে মামলা করেন বাংলাদেশ বিমানের পরিচালক এমএম আসাদুজ্জামান। বুধবার রাতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করে ডিএমপির কাউন্টার টেরিরিজম ইউনিট।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন: প্রকৌশলী কর্মকর্তা সামিউল হক, লুৎফর রহমান, মিলন চন্দ্র বিশ্বাস, জাকির হোসেন, প্রধান প্রকৌশলী দেবেশ চৌধুরী, এস এ সিদ্দিক ও মুখ্য প্রকৌশলী বিল্লাহ হেসেন। এছাড়া বাকি ২ কর্মকর্তা দুপুরে আদালতে আত্মসমপর্ণ করলে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।
ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের কাউন্টার টেরিরিজম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনার পেছনে বড় কোনো ষড়যন্ত্র ছিল কি না তা গ্রেপ্তাকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে জানতে চেষ্টা করা হবে।