ঢাকার দক্ষিণখানের আশকোনায় জঙ্গি আস্তানায় শিশুসহ বেরিয়ে এসে বিস্ফোরণ ঘটানো সেই নারীজঙ্গি নিহত হয়েছেন।
শনিবার বিকেলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, এ বিস্ফোরণে ২ জন নিহত হয়েছেন। তাদের একজন জঙ্গি সুমনের স্ত্রী ও নব্য জেএমবির অর্থদাতা নিহত তানভীর কাদেরীর ছেলে।
আরেক জঙ্গি ইকবালের ৭ বছরের মেয়েকে সেখান থেকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে। এর আগে দুই শিশুসহ দুই নারী আত্মসমর্পণ করে। তাদের কাছ থেকে অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়। তারা মিরপুরে নিহত জঙ্গি মেজর জাহিদের স্ত্রী ও ছেলে এবং পলাতক জঙ্গি মুসার স্ত্রী ও মেয়ে। মুসাকে আমরা ধরে ফেলবো।
কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম বলেন, সুইসাইড ভেস্ট বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে ওই নারী। তার সাথে থাকা শিশুটিকে অবশ্য রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।
‘সূর্যভিলা’ নামে ওই বাড়ির উল্টো পাশের দুটি ভবনেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অবস্থান নিয়ে রয়েছে।
হাজিক্যাম্পের কাছে ৫০ নম্বর ওই বাড়ি ঘিরে জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে গতকাল দিবাগত রাত থেকে অভিযান শুরু করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যা এখনো চলছে। এর আগে ওই বাড়ি থেকে দুই শিশুকে নিয়ে দুজন নারী আত্মসমর্পণ করেছে।
কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের স্পেশাল অ্যাকশন গ্রুপের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) ছানোয়ার হোসেন বলেন, আত্মসমর্পণকারী চারজন হলো: মিরপুরের রূপনগরে পুলিশের অভিযানে নিহত জঙ্গি ও সাবেক মেজর জাহিদের স্ত্রী জেবুন্নাহার শীলা ও তার মেয়ে এবং পলাতক জঙ্গি মুসার স্ত্রী তৃষ্ণা ও তার মেয়ে।
জানা গেছে, তাদের কাছে -ভেতরে থাকা ‘জঙ্গিদের’ কাছে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বিস্ফোরক, গোলাবারুদ, রিভলবার ও আত্মঘাতী অস্ত্র (সুইসাইডাল ভেস্ট) রয়েছে।