জঙ্গি সংগঠন জেএমবির তামিম-সারোয়ার গ্রুপের সন্দেহভাজন ১০ জনকে আটক করেছে র্যা পিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। উত্তরার লাইফ স্কুলের আড়ালে তারা জঙ্গী কার্যক্রমে সাধারণ মানুষকে উদ্বুদ্ধ করত বলে সংবাদ সম্মেলনে জানায় র্যাব।
জেএমবি'র এই গ্রুপকেই গুলশান ও শোলাকিয়াসহ সাম্প্রতিক জঙ্গি হামলাগুলোর অধিকাংশের জন্য দায়ী করে আসছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।
সোমবার বিকেলে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র্যাবের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গ্রেপ্তারকৃতরা সংঘর্ষে না জড়িয়ে দাওয়াতের মাধ্যমে আড়াই বছর ধরে লাইফ স্কুলের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দাওয়াতের মাধ্যমে জঙ্গি কার্যক্রমে যোগ দিতে উদ্বুদ্ধ করে আসছিল।
গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে র্যা বের সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
গত বছরের ৮ অক্টোবর আশুলিয়ার এক বাড়িতে অভিযানের সময় সারোয়ার জাহান নিহত হন। সারোয়ার নিহত হওয়ার আগে ২৭ আগস্ট নারায়ণগঞ্জের পাইকপাড়ায় আরেক জঙ্গি আস্তানায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে নিহত হন তামিম আহমেদ চৌধুরীসহ তিনজন।
সারোয়ার-তামিম গ্রুপের গ্রেপ্তার সদস্যরা হলেন: আবু সাদাত মোহাম্মদ সুলতান আল রাজী লিটন, আল মিজানুর রশিদ, জান্নাতুল মহল জিন্নাহ, মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান, মোহাম্মদ কৌশিক আদনান সোবহান, মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, মেরাজ আলী, মুফতি আব্দুর রহমান বিন আতাউল্লাহ, মোহাম্মদ শাহরিয়ার ওয়াজেদ খান এবং উত্তরার লাইফ স্কুলের সাবেক প্রিন্সিপাল শরিফুল ইসলাম।
জেএমবি'র এই গ্রুপকেই গুলশান ও শোলাকিয়াসহ সাম্প্রতিক জঙ্গি হামলাগুলোর অধিকাংশ ঘটনার জন্য দায়ী করে আসছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।