গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের সাবেক সাংসদ ও জাতীয় পার্টি নেতা কর্নেল (অব.) ডা. আবদুল কাদের খানের বাড়ির পুকুরে অভিযানে নেমেছে পুলিশ ও দমকল বাহিনী।
মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন হত্যার ঘটনায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারে বুধবার দুপুর ১২টার দিকে কাদের খানের সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ছাপরহাটি ইউনিয়নের পশ্চিম ছাপরহাটি (খাঁনপাড়া) গ্রামের বাড়ির পুকুরে অভিযান শুরু হয়।
সুন্দরগঞ্জ থানার এসআই ইজার আলী বলেন, এ মামলায় গ্রেপ্তার তিন জনের দেয়া তথ্যানুসারে এ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
এর আগে লিটন হত্যা মামলায় কাদের খানের গাড়িচালক আবদুল হান্নান, দুই গৃহকর্মী শাহিন মিয়া ও মেহেদী হাসানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাদের দেয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতেই মঙ্গলবার সাবেক এমপি কাদের খানকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গত ১৬ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার রাত থেকে বগুড়ায় তার ক্লিনিক-কাম বাসভবনে কার্যত 'গৃহবন্দি' ছিলেন কাদের খান। জাতীয় পার্টির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান কাদের খান ২০০৮ সালে গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে ওই দলের টিকিটে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতা মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় গাইবান্ধা-১ আসনের সাংসদ নির্বাচিত হন। ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন খুন হলে আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়। এরই মধ্যে ওই আসনের উপ-নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে এবং আগামী ২২ মার্চ ভোট গ্রহণের কথা রয়েছে।
ডা. আবদুল কাদের খান মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার নির্ধারিত সময়ের একদিন আগে ১৮ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেয়ার পরও পুলিশ তার বাসভবনের ভেতরে-বাইরে অবস্থান নেয়।