শুল্কমুক্ত সুবিধায় আনা ১৬টি গাড়ি মধ্যে্ আরো একটি গাড়ি শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কাছে ফেরত দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।
গত ২০ ফেব্রুয়ারি বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশ কান্ট্রি অফিস দুটি গাড়ি শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে হস্তান্তর করে।
একজন সাবেক কর্মকর্তার ব্যবহৃত গাড়ি শুল্ক গোয়েন্দাদের কাছে হস্তান্তর করেছে বিশ্বব্যাংক। এ নিয়ে শুল্কমুক্ত সুবিধার অপব্যবহারের অভিযোগে সংস্থাটির মোট তিনটি গাড়ি জব্দ করা হলো।
রোববার সকালে কাগজপত্র যাচাই শেষে শুল্ক গোয়েন্দা গাড়িটি জব্দ দেখিয়েছে। তবে গাড়িটি ২২ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৫টায় বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশ অফিস থেকে একজন কর্মকর্তার মাধ্যমে কাকরাইলে শুল্ক গোয়েন্দার সদর দপ্তরে পাঠানো হয়।
সম্প্রতি শুল্কমুক্ত সুবিধায় আনা ১৬টি গাড়ি অপব্যবহারের অভিযোগ বিশ্বব্যাংকের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। এ অভিযোগের পাঁচ দিন পর দুটি গাড়ি জমা দেয় সংস্থাটি।
জানা গেছে, আজকের জব্দ গাড়িটি ব্যবহার করতেন নিহাল ফার্নান্দো। তিনি সংস্থাটিতে ২০০৮ সালের এপ্রিল থেকে ২০১০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে সিনিয়র রুরাল ডেভেলপমেন্ট স্পেশালিস্ট হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ব্যক্তিগত ব্যবহারের উদ্দেশ্যে তিনি গাড়িটি শুল্কমুক্ত সুবিধায় কেনেন পরে ২০১০ সালের ডিসেম্বরেই স্থায়ীভাবে বাংলাদেশ ত্যাগ করেন তিনি।
নিহাল ফার্নান্দোর (কাস্টমস পাসবুক নং ৫০/০৮) ব্যবহৃত ওই গাড়ি ২০০৬ সালের টয়োটা এলিয়ন মডেলের। বাংলাদেশ ত্যাগের আগে আইনানুযায়ী কাস্টমস পাসবুক ও গাড়িটি কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করে যাননি। এতে শুল্ক আইন ভঙ্গ হয় যা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।