মিতু হত্যার সঙ্গে বাবুল আক্তার জড়িত থাকতে পারে বলে পুলিশকে লিখিতভাবে জানিয়েছে মিতুর বাবা। তিনি বলেন, বাবুলের বিষয়ে সাম্প্রতিক সময় পরকিয়াসহ যেসব তথ্য পাওয়া যাচ্ছে তাতে এ ধারনা আসাটাই স্বাভাবিক।
তিনি আরো জানান, মিতুর ওপর বাবুল আক্তারসহ তার পরিবারের সদস্যরা নির্যাতন চালাত। মিতু হত্যার সঙ্গে যেই জড়িত হোক না কেন তাকে গ্রেপ্তার করা হোক।
চট্টগ্রামের আলোচিত হত্যাকাণ্ড তৎকালীন এসপি বাবুলের স্ত্রী হত্যা। আর এই হত্যা নিয়ে বেশ ঘোলাটে পরিবেশের প্রথম থেকেই। হত্যার সঙ্গে জড়িত কয়েকজনকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি ক্রস ফায়ারও করেছে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বাবুল আক্তারকে। এরপর চাকুরি থেকে সেচ্ছায় অবসরে যান বাবুল।
বাবুল আক্তারের চাকুরি থেকে অবসরের পর মিতু হত্যা রহস্য আরো ঘোলাটে হয়। বিভিন্ন দিক থেকে বিক্ষিপ্ত তথ্য আসতে থাকে। সব শেষ পাওয়া যায় বাবুল আক্তারের পরকীয়ার ঘটনা। চট্টগ্রাম ও ঝিনাইদাতে পরকীয়ার ঘটনা উঠে আসে সবার সামনে। এরপর মিতুর পরিবারের পক্ষ থেকেও বাবুলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ করা হয়।
এসব অভিযোগ নিয়ে বাবুলের শশুর বলেন, মিতুর ওপর বিভিন্ন ভাবে বাবুল ও তার পরিবার নির্যাতন চালত। এসব তথ্য আগে থেকেই তারা জানতেন। দুই সন্তানের কথা চিন্তা করে মিতুকে সংশার করার জন্য বলা হয়।
তিনি আরো বলেন, ঢাকা থেকে যাওয়ার পর বাবুলের পরিবর্তন এসেছে। সে এখন কারো ফোন ধরছে না। বলেন, বাবুল আক্তার জড়িত না হলে তার বিরুদ্ধে এত অভিযোগ কেনো আসবে। বাবুলের পরকিয়ার কথা পরিবার জানতো।
এমনকি দ্বীতিয় বিয়ে করার জন্য বাবুলের বোন বাবুলকে বলে ছিলো বলে দাবি করে তার শশুর। এসব কথা শুনার পর থেকেই তার দিকে সন্দেহের তীর উঠছে।