মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া জঙ্গি নেতা মুফতি আব্দুল হান্নান ও তার দুই সহযোগী শরীফ শাহেদুল বিপুল ও দেলোয়ার হোসেন রিপনের ফাঁসি কার্যকর যে কোনো সময়।
এরইমধ্যে বুধবার সকালে কাশিমপুর কারাগারে মুফতি হান্নানের সঙ্গে দেখা করেছেন তার পরিবারের ৪ সদস্য। ফাঁসি কার্যকরের সব প্রস্তুতি শেষ করেছে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার ও সিলেট কারাগার কর্তৃপক্ষ। জোরদার করা হয়েছে কারাগার ও এর আশপাশের এলাকার নিরাপত্তা।
সিলেটে সাবেক ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর হামলা ও তিনজনকে হত্যার দায়ে ফাঁসির দণ্ড পাওয়া তিন জনের মধ্যে জঙ্গিনেতা মুফতি আবদুল হান্নান ও তার এক সহযোগী শরীফ শাহেদুল বিপুলের ফাঁসি কার্যকর হবে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে।
মঙ্গলবার এ দুই জঙ্গির স্বজনদেরকে কারাগারে গিয়ে শেষ দেখা করতে বলা হলে সোমবার সকালে মুফতি হান্নানের পরিবারের ৪ সদস্য তার সঙ্গে শেষবারের মতো দেখা করেন।
ফাঁসি কার্যকরের সব প্রস্তুতি শেষ করার পাশাপাশি কারাগার ও এর আশপাশের এলাকার নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।
মুফতি হান্নানের অপর সহযোগী দেলোয়ার হোসেন রিপনের ফাঁসি কার্যকর হবে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে। সেখানেও সব প্রস্তুতি শেষ করেছে কারা কর্তৃপক্ষ। শেষ বারের মতো রিপনের সঙ্গে তার স্বজনদের দেখা করার কথা রয়েছে।
সিলেটে ২০০৪ সালের ২১ মে তৎকালীন ব্রিটিশ হাই কমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর গ্রেনেড হামলা ও ৩ জন নিহত হওয়ার মামলায় মুফতি হান্নান, তার সহযোগী শরীফ শাহেদুল বিপুল ও দেলোয়ার হোসেন রিপনকে মৃত্যুদণ্ড দেয় আদালত।
পরে তরা প্রাণ ভিক্ষার আবেদন করলে তা নাকচ করে দেন রাষ্ট্রপতি।