রাজধানীর বনানীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী ধর্ষণের ঘটনায় প্রাথমিক তদন্তে মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রমাণ পেয়েছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। শনিবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এ কথা জানায় সংস্থটির তদন্ত কমিটির সদস্যরা।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, ঘটনার একমাদক ব্যবহারের কোনো প্রমাণ পায়নি তারা। আর হোটেল কর্তৃপক্ষ বলছে, কোন ঘটনাই ঘটেনি সেদিন, যা মামলার এজাহারের বর্ণনা করা হয়েছে। সাফাতের বর্ডিগাডের কাছে থাকা অস্ত্র তারা রিসেপশনে রেখেছিলেন বলে জানান।
হোটেলের রুফটপ ও যে রুমে নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে তার সব ঘুরে ঘুরে দেখেন মানবাধিকার কমিশনের তদন্ত কমিটির সদস্যরা।
প্রাথমিক তদন্ত শেষে কমিটির আহ্বায়ক জানিয়েছেন, মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রমান পেয়েছেন তারা।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি তদন্ত দলও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
এদিকে, ধর্ষণ মামলার অন্যতম আসামি শাফাত ও তার সহযোগী সাদমানকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশের তদন্ত দল।
উল্লেখ্য, ৯ এপ্রিল হোটেল উদ্বোধন হয় আর ধর্ষণের ঘটনা ঘটে ২৮ মার্চ। ওই সময়ে আর্চওয়ে সংযুক্ত ছিলনা, তাই আসামীরা মদ নিয়ে হোটেলে প্রবেশ করেছে কিনা তা নিশ্চিত করে বলতে পারেনি।
হোটেল কর্তৃপক্ষ দাবি করছে, শাফাতের বুক করা দুটি রুমে যে নির্যাতনের বর্ণনা মামলায় উল্লেখ হয়েছে তার কোনো প্রমাণ তারা পাননি। নির্যাতিত দুই ছাত্রীর কাছ থেকেও তারা কোনো অভিযোগ পাননি। শাফাতের বর্ডিগার্ড তার অস্ত্র রিসেপশনে রেখেছিল বলেও সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তারা দাবি করেন।