যেসব প্রতিষ্ঠান স্বর্ণ চোরাচালান করে ব্যবসা করছে— তাদের একটি তালিকা শুল্ক গোয়েন্দাদের কাছে রয়েছে। এবং সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হবে বলে জানিয়েছেন কাস্টমস, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের ডিজি ড. মইনুল খান।
মঙ্গলবার দুপুরে শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তরে অনানুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
ড. মইনুল খান বলেন, আপন জুয়েলার্সে যারা স্বর্ণ কেনার জন্য বায়না করেছিল এবং স্বর্ণের জন্য টাকা দিয়েছিল এমন ৩৮৯ জন কাস্টমারের স্বর্ণ ফেরত দিতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ তদন্ত কমিটি ১০ দিনের মধ্যে স্বর্ণ ফেরত দেয়ার বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দেবে। সেই প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করেই স্বর্ণ ফেরত দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে।
এছাড়াও যে তদন্ত কমিটি আপন জুয়েলার্সের স্বর্ণ নিয়ে তদন্ত করছে, তাদের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মামলার বিষয়ে প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।