রংপুরের মিঠাপুকুরে এক দিনমজুরের অষ্টম শ্রেণী পড়ুয়া মেয়ে কোচিং করতে গিয়ে শিক্ষকের লালসার শিকার হয়ে এখন সাত মাসের অন্তঃস্বত্ত্বা।
স্কুল শেষে কোচিং করতে গেলে অস্ত্রের মুখে শিক্ষক রিপন মেয়েটিকে ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে তাকে বিয়ে করার আশ্বাস দিয়ে শারিরীক নির্যাতন চালিয়ে যায় বলে অভিযোগ মেয়েটির।
এদিকে, বিষয়টি সমাধানের নামে শালিস -বৈঠক করে ফাঁয়দা লুটছে সমাজপতিরা। বাধ্য হয়ে মামলা দায়ের করা হলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে রয়েছে আসামি।
রংপুরের মিঠাপুকুরের ছড়ান দাখিল মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণীর ১৪ বছরের এক ছাত্রী দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণের শিকার হয়ে এখন সাত মাসের অন্তঃস্বত্ত্বা। আর এজন্য কোচিংয়ের শিক্ষক রিপনকেই দায়ী করছে সে। স্থানীয় এক প্রভাবশালীর ভাগ্নে রিপন বড়বালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে কোচিং করাতো।
মেয়েটির অভিযোগ, সাত/আট মাস আগে স্কুল শেষে সেখানে কোচিং করতে গেলে রিপন তাকে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করে। সেই সঙ্গে কাউকে না বলার জন্য কুরআন শরীফ ছুঁইয়ে তাকে শপথ করায়। এরপর বিয়ের করার আশ্বাস দিয়ে দিনের পর দিন শারিরীক নির্যাতন চালায়।
এক পর্যায়ে অন্তঃস্বত্ত্বা হলে বাবা-মাকে বিষয়টি খুলে বলে সে। এর বিচার চেয়ে চেয়ারম্যান-মেম্বারদের কাছে ধর্ণা দিলেও শালিস-বৈঠকের নামে এড়িয়ে যান তারা। কিন্তু বিচার না পেয়ে কয়েকদিন আগে মামলা করেন তারা।
এদিকে, খবর পেয়ে এলাকায় সাংবাদিক গেলে তড়িঘড়ি করে পুলিশ মামলা গ্রহণ করে। তবে, তবে এখনো আসামিকে ধরতে পারেনি পুলিশ।
সিংক: রংপুরের সহকারি পুলিশ সুপার জাকারিয়া রহমান বলেন, আসামিকে ধরার চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে খোঁজ নিতে অভিযুক্ত রিপনের বাড়িতে গেলে তাকে বা তার কোনো স্বজনকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
অভিযুক্তদের উপযুক্ত বিচারের পাশাপাশি মেয়েটি ও তার অনাগত সন্তানের নিরাপত্তায় উপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসীরা।