রাজধানীর গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় হামলার প্রধান পরিকল্পনাকারী আসলাম হোসাইন রাশেদকে নাটোরে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ ভোর সাড়ে ৫টার দিকে নাটোর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এদিকে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল জানিয়েছেন, রাশেদের কাছে থেকে হলি আর্টিজান হামলার বিষয়ে আরো তথ্য পাওয়া যাবে। আর শিগগিরই এ মামলার অভিযোগপত্র দেয়া হবে।
২০১৬ সালের ১ জুলাই গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয়া হামলা চালায় নব্য জেএমবির সদস্যরা। এতে নিহত হন ১৭ বিদেশীসহ ২২ জন। পরে কমান্ডো আভিযানে নিহত হয় ৫ জঙ্গি।
এরপর দেশজুগে জঙ্গি বিরোধী ব্যপক অভিযান শুরু করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। এসব অভিযানে গুলশান হামলার বেশ কয়েকজন পরিকল্পনাকারী নিহত হয়েছে। আর চলতি বছরের ৮ জুলাই জীবিত অবস্থায় গ্রেপ্তার হয় সোহেল মাহফুজ।
এর আগে পুলিশ জানিয়েছিল, সোহেল মাহফুজ, আসলাম হোসাইন রাশেদ, বাশারুজ্জামান ওরফে চকলেট, মিজানুর রহমান ও হাদীসুর রহমান, এদের মধ্যে তিনজন গ্রেপ্তার হলেই হলি আর্টিজান হামলা মামলার অভিযোগপত্র দেয়া হবে। এরপর ২৬-২৭ এপ্রিল চাঁপাই নবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে জঙ্গি অভিযানে নিহত হয় বাসার ও মিজানুর। তবে এখনো পলাতক রয়েছে হাদীসুর রহমান সাগর।
সবশেষ শুক্রবার ভোরে নব্য জেএমবির নেতা, গুলশান হামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী আসলাম হোসাইন রাশেদ, ওরফে র্যা শকে নাটোরের সিংড়া বাজার বাস স্ট্যান্ড এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট, পুলিশ সদরদপ্তরের "ল-ফুল ইন্টারসেপশন সেন্টার", বগুড়া ও নাটোর জেলা পুলিশের সদস্যরা এতে অংশ নেন। বগুড়ার এসপি আসাদুজ্জামান জানান, গ্রেপ্তারের পর রাশেদকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। তাকে হলি আর্টিজানে হামলার মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করা হবে।
শুক্রবার সকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, রাশেদের মাধ্যমে এই হামলার বিষয়ে অনেক নতুন তথ্য বেরিয়ে আসবে। এখন খুব দ্রুতই মামলার তদন্ত এখন দ্রুত শেষ করা যাবে।