অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল জাফর ইমাম বীরবিক্রম পঁচাত্তরে ছিলেন রংপুরে ১৫ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের দায়িত্বে।
দেশ টিভিকে দেয়া একান্ত সাক্ষাতকারে তিনি জানান, পনেরই আগস্টের পূর্বাপর।
তার জানা তথ্যে উঠে এসেছে ওইসময়ের ক্রীড়নকদের ভূমিকা।
তিনি বলেন, ১৫ আগস্টের মূল পরিকল্পনাকারী খন্দকার মোশতাক যেটা জানতেন জিয়াউর রহমানও।
জাফর ইমাম আঙ্গুল তোলেন, সে সময়কার সেনাপ্রধান শফিউল্লাহ প্রতি।
তিনি বলেন, একটি ইউনিটও যদি সেদিন অ্যাকশনে যেত তাহলে ভিন্ন হতো পরিস্থিতি।
মুক্তিযোদ্ধা সেনা অফিসার আর পাকিস্তান ফেরত অফিসার, স্বাধীনতার পর থেকেই এ দুই গ্রুপের দ্বন্দ্বে অস্থির ছিল গোটা সেনাবাহিনী। একই সময়ে কতিপয় বাম সংগঠন আর জাসদ গণবাহিনীর নৈরাজ্যে অস্থির ছিল পুরো দেশ।
দেশ টিভিকে দেয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে সেসময়ের ১৫ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট প্রধান বীর মুক্তিযোদ্ধা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল জাফর ইমাম জানান, এতেই ক্ষেত্র তৈরি হয় বঙ্গবন্ধু হত্যার।
জাফর ইমাম জানান, মোশতাক আর খুনিচক্রের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল জিয়াউর রহমানের। কিন্তু চাপা স্বভাবের জিয়া কাউকে কখনো কিছু বুঝতে দেননি।
বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে আক্রমণের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেনাপ্রধান শফিউল্লাহ পদক্ষেপ নিলে পরিস্থিতি অন্যরকম হতো বলে মনে করেন সাবেক এ সেনা কর্মকর্তা।
জাফর ইমাম বলেন, বঙ্গবন্ধুর খুনিদেরকে ফাঁসির পাশাপাশি এর পেছনের নেপথ্যের কুশীলবদের ভূমিকার শ্বেতপত্র প্রকাশ করে পাকিস্তানি ভাবধারাকে চিরতরে এদেশ থেকে মুছে ফেলতে হবে। তবেই বাস্তবায়ন হবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা।