তাজিয়া মিছিল ও দুর্গা পূজার প্রতিমা বিসর্জনের মিছিলে নাশকতার পরিকল্পনা ছিলো কদমতলী থেকে গ্রেপ্তার জামাত নেতা-কর্মীদের।
এর মধ্য দিয়ে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা সৃষ্টির উদ্দেশ্য ছিল তাদের— দুই মামলায় তাদের ৫ দিন করে রিমান্ড শেষে এসব তথ্য পেয়েছে পুলিশ।
এদিকে, রাজধানীর উত্তরা থেকে গ্রেপ্তার নেতাদের কাছে থেকেও নাশকতার বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ে গেছে। তবে এসব বিষয়ে আর বিস্তারিত জানায়নি পুলিশ।
গত ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে কদমতলী থানা পুলিশ ধোলাইপাড়ের একটি বাসায় গোপন বৈঠকের সময় জামাতের ১০ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করে। পরের দিন আদালতে হাজির করে দুই মামলায় তাদের ২০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। আদালত তাদের ৫ দিন করে ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।
রিমান্ড শেষে পুলিশ বলছে, ২৯ সেপ্টেম্বর জামাত নেতাদের দুই দফা বৈঠক হয়েছে। প্রথম বৈঠকে দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। পরের বৈঠক চলাকালে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টির উদ্দেশ্য নিয়েই তারা ধোলাইপাড়ে বৈঠকে বসেছিলো বলে রিমান্ডে তথ্য পাওয়া গেছে।
গত সোমবার রাতে উত্তরার ৬ নম্বর সেক্টরে অভিযান চালিয়ে জামাতের কেন্দ্রীয় আমিরসহ শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। বিশেষ ক্ষমতা আইন ও অস্ত্র মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে মঙ্গলবার তাদের আদালতে হাজির করা হয়। দুই মামলায় ২০ দিনের রিমান্ড চাইলে তাদের ৫ দিন করে ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত।
প্রথম দিনের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পুলিশ বলছে, সিনিয়র কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি তদন্ত দল গঠন করা হয়েছে তারাই জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। এরইমধ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে বলে পুলিশের দাবি।