কুমিল্লার হোমনায় নিখোঁজের পাঁচ দিন পর সেপটিক ট্যাংকের ভেতর থেকে স্কুলছাত্র জাহিদ হাসানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, সাপলেজি গ্রামের জাহিদ হাসান পাশের দুলালপুর চন্দ্র মনি উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্র ছিল।
গত শনিবার সন্ধ্যায় প্রতিবেশী এক ছেলে তাকে ডেকে নিয়ে যায়। রাতে বাড়ি না ফিরলে পরদিন তার বাবা হোমনা থানায় অভিযোগ করেন।
মঙ্গলবার সকালে একটি মোবাইল নম্বর থেকে জাহিদের চাচার কাছে ম্যাসেজ দিয়ে পঞ্চাশ হাজার টাকা মুক্তিপণ চাওয়া হয়। সেই মোবাইল নম্বরের সূত্র ধরে পুলিশ দুলালপুর গ্রামের এমদাম, জিয়াদ ও খায়রুল নামে দশম শ্রেণীর তিন ছাত্রকে গ্রেপ্তার করে।
পরে তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী বুধবার রাতে স্কুলের সেপটিক ট্যাংকের ভেতর থেকে জাহিদের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
শনিবারই দুলালপুর বাজারের একটি কক্ষে জাহিদকে তারা গলাটিপে হত্যা করে বলে জানায় তারা।