পানামা পেপার্সে নাম থাকাদের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের অভিযোগে সঠিকভাবে অনুসন্ধান করা হলে প্যারাডাইস পেপার্সে বাংলাদেশিদের নাম নাও থাকতে পারতো।
তাই পানামা ও প্যারাডাইস পেপার্সে যাদের নাম এসেছে অচিরেই তাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরুর পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
এসব অনুসন্ধানে রাজনৈতিক প্রভাব মুক্ত ও বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রাখারও পরামর্শ তাদের।
এদিকে, কমিশনের আগামী বৈঠকে এবিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনে-দুদকের চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ।
পানামা থেকে প্যারাডাইস পেপার্স, অর্থ পাচারের অভিযোগে বিশ্বের বাঘা বাঘা রাজনীতিক থেকে শুরু করে নামী ব্যবসায়ী, এমনকি সেলিব্রেটিদের নাম উঠে এসেছে অনুসন্ধানে। পানামা পেপারসে ২৪ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান আর প্যারাডাইস পেপারর্সে ১০ সব মিলিয়ে বাংলাদেশের ৩৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের তথ্য রয়েছে।
পানামা পেপারর্স নাম আসায় ক্ষমতা হারাতে হয়েছে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নেওয়াজ শরীফকে কিন্তু বাংলাদেশে এনিয়ে প্রশাসন বা সরকারের কোনো তৎপরতা এখনো দেখা যায়নি।
তবে শুধু তদন্ত করলেই হবে না তা হতে হবে সব ধরনের প্রভাবমুক্ত। আর একবার শাস্তির আওতায় আনতে পারলে পাচারকারীরা নিরুৎসাহিত হবে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
পানামা পেপারর্স নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো অনুসন্ধান করতে পারেনি দুদক। প্যারাডাইস পেপার্স নিয়েও অনুসন্ধান করবে কি না, তা এখনো ঠিক করে উঠতে পারেনি রাষ্ট্রীয় এই প্রতিষ্ঠানটি।
তবে সরকারের অন্য কোনো সংস্থা এ বিষয়ে অনুসন্ধান করলে দুদকের পক্ষ থেকে সর্বাত্বক সহযোগিতা দেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন দুদক চেয়ারম্যানের।