ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের দুর্নীতির ধারণা সূচকে দুই পয়েন্ট অগ্রগতি সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল বলে জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান ড. ইকবাল মাহমুদ।
এই অগ্রগতিতে আত্মতুষ্ঠির সুযোগ নেই কারণ দুর্নীতি হচ্ছে এবং তা প্রতিরোধ করা সম্ভব হচ্ছে না—এ কথা উল্লেখ করে তিনি এজন্য সবার সহযোগিতা চেয়েছেন।
আর দুর্নীতি তদন্তে ব্যক্তি, রাজনৈতিক, সামাজিক কোনো পরিচয়ই কমিশন বিবেচনায় নেয় না বলে জানান তিনি।
রোববার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন দুদুক চেয়ারম্যান।
বিশ্বের ১৮০টি দেশ ও অঞ্চলের ২০১৭ সালের দুর্নীতি পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে বার্লিনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান টিআই গত ২৩ ফেব্রুয়ারি সূচক প্রকাশ করে। যেখানে বাংলাদেশের অবস্থান গতবারের চেয়ে দুই পয়েণ্ট কমে ১৪৩ হয়েছে।
দুর্নীতির মানদণ্ডে দুই পয়েন্টর উন্নতিকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছে দুর্নীতি দমন কমিশন।
সংস্থার চেয়ারম্যানের দাবি সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল হিসেবে এ অর্জন।
দেশে দুর্নীতি হচ্ছে সাংবাদিকদের কাছে এটা স্বীকার করে দুদক চেয়ারম্যান জানান, দুর্নীতি প্রতিরোধে কমিশন চেষ্টা করছে—দুর্নীতি তদন্তে ব্যক্তির চেয়ে অপরাধকেই প্রাধান্য দেন তারা।
বিদেশ অর্থপাচার, বেসিক ব্যাংক দুর্নীতিসহ নানা দুর্নীতি মামলা নিয়েও কথা বলেন তিনি।
দুদকের মামলার সাজার হার ৩৭ শতাংশ থেকে বেড়ে ৭৪ শতাংশ হওয়াকে কমিশনের সাফল্য হিসেবেই দেখছেন ইকবাল মাহমুদ।