বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীদের দুর্নীতি কমেছে দাবি করেছে।
তবে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক কর্মকর্তারা এর বিরোধিতা করে বলেন, নানা অজুহাতে ইচ্ছে করে বিভিন্ন প্রকল্প ব্যয় বাড়ানো হয়।
ঠিকাদারদের কাজের তদারকিও ঠিকমত হয় না বলে জানান দুদক কর্মকর্তারা।
এ সময় দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ প্রভাবশালীদের চাপ ঠেকাতে তাদের নামের তালিকা দেয়ার অনুরোধ জানান।
মঙ্গলবার সকালে দুদক কার্যালয়ে বিভিন্ন সরকারি নির্মাণ প্রকল্পের সঙ্গে জড়িত প্রধান প্রকৌশলীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভার আয়োজন করে তারা।
এসময় প্রধান প্রকৌশলীদের পক্ষ বলো হয়, সরকারি বিভিন্ন সিদ্ধান্তের কারণে প্রকল্পের ব্যয় বাড়ে— প্রকল্প বাস্তবায়নেও হতে হয় নানা সমস্যার মুখোমুখি। বিভিন্ন দপ্তরের ক্ষেত্রে দুর্নীতি কমেছে।
তবে দুদুক কমিশনার বলেন, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এখনো দুর্নীতি কমেনি। কোনো প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে ইচ্ছাকৃতভাবে ব্যয় বাড়ানো হয়। আর ঠিকাদাররা কতটুকু নির্মাণ কাজ করলেন তা-ও তদারকি করা হয় না।
এ সময় দুদক চেয়ারম্যান বলেন, বিভিন্ন প্রকল্পের ক্ষেত্রে জবাবদিহিতা নেই বললেই চলে তাছাড়া প্রকল্পগুলোতে জনসম্পৃক্ততাও নেই।
তিনি আরো বলেন, বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরকারি প্রকল্পের কাজ পেতে অবৈধ অর্থেরও লেনদেন করা হয়।
দুদক চেয়ারম্যান বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়ন ও দুর্নীতি কমাতে অব্যশই সবাইকে একত্রিত হয়ে কাজ করতে হবে তবে নিজেকে আগে শুধরাতে হবে।