নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে পারভেজ নামে এক ছিনতাইকারী নিহত হয়েছেন। এদিকে ফেনীর দাগনভুঁইয়া উপজেলায় গ্রেপ্তারের পর কথিত বন্দুকযুদ্ধে ছয় মামলার এক আসামির মৃত্যু
বুধবার ভোরে দাপা আলামিন নগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে, সে একই এলাকার সোবহান মিয়ার ছেলে।
তার বিরুদ্ধে ফতুল্লা থানায় একটি অস্ত্র খোয়া ও পরে সেটা উদ্ধারের ঘটনায় করা মামলার আসামি।
ছিনতাইকারীদের দুই গ্রুপের গোলাগুলির সময়ে পুলিশ সেখানে উপস্থিত হলে ত্রিপক্ষীয় গোলাগুলিতে ক্রসফায়ারে পরে মারা যান পারভেজ।
ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মজিবুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।
তিনি বলেন, আলামিন নগর এলাকাতে ছিনতাইকারীদের দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির খবর পায় পুলিশ। পরে পুলিশের একটি টিম সেখানে গেলে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে ছিনতাইকারীরা। এসময় পুলিশও পাল্টা গুলি ছুড়লে ঘটনাস্থলে পারভেজ ক্রসফায়ারে পরে মারা যান।
তবে তিনি পুলিশের সোর্স হিসেবেই এলাকাতে পরিচিত ছিল বলে জানা গেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ মে রোববার রাতে এএসআই সুমন কুমার পালের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম ফতুল্লা রেলস্টেশন রোড এলাকার একটি বালুর মাঠে ডিউটিরত অবস্থায় ছিলেন। গভীর রাতে কনস্টেবল সোহেল রানার সঙ্গে থাকা একটি চাইনিজ রাইফেল খোয়া যায়। পরদিন দাপা বালুর মাঠের পাশের একটি ডোবার পাশ থেকে রাইফেলটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ফতুল্লা মডেল থানার এএসআই সুমন কুমার পাল, তিনজন কনস্টেবল মাসুদ রানা, আরিফ ও সোহেল রানাকে দায়িত্বে অবহেলার জন্য প্রত্যাহার করা হয়।
ওই ঘটনায় পরে সুমন পাল বাদী হয়ে পারভেজসহ ৩ জনকে আসামি করে সোমবার রাতেই ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা করে। অভিযোগ করা হয় পারভেজ ওই অস্ত্রটি লুট করেছিল।
এদিকে, ফেনীর দাগনভুঁইয়া উপজেলায় গ্রেপ্তারের পর কথিত বন্দুকযুদ্ধে ছয় মামলার আসামি নিহত হয়েছেন।
দাগনভুঁইয়া থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ জানান, উপজেলার খুশিপুর গ্রামে বুধবার ভোরে গোলাগুলির এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, ওই ব্যক্তির নাম মুসা আল মাসুদ।
ওসি কালাম বলেন, এক প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণের মামলায় পলাতক আসামি হিসেবে মঙ্গলবার রাতে মুসাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
ভোরে তাকে নিয়ে খুশিপুর গ্রামে অন্য আসামিদের ধরতে গেলে তার লোকজন পুলিশের দিকে গুলি ছোড়ে। পুলিশ পাল্টা গুলি ছোড়ে। বন্দুকযুদ্ধে ঘটনাস্থলেই মুসা মারা যান।
পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল ও ছয় রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, নিহত মুসার বিরুদ্ধে ডাকাতি, ধর্ষণ ও হত্যাসহ ছয়টি মামলা রয়েছে।