সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাদকবিরোধী অব্যাহত অভিযানে শুক্রবার থেকে পর্যন্ত চলা অভিযানে ১০ জেলায় কথিত বন্দুকযুদ্ধে ১২ মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। এ সময় পুলিশের ৮ সদস্য আহত হয়েছেন।
এছাড়াও গাজীপুর, সাতক্ষীরা ও নড়াইল মাদক দ্রব্যসহ ২৪ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে।
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, নিহতরা সবাই মাদক চোরাকারবারে জড়িত। কারও কারও বিরুদ্ধে থানায় মাদক আইনে একাধিক মামলা রয়েছে।
কুমিল্লা:
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় উপজেলার বাগড়া রামচন্দপুর সড়কে পুলিশ অভিযানে গেলে মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে গুলি বিনিময় হয়। এতে ২ মাদক ব্যবসায়ী গুলিবিদ্ধ হন। তাদের উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক দুই জনকেই মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় পুলিশের ৩ সদস্য আহত হন। ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল ও ৪০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
দিনাজপুর:
দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলায় র্যা ব মাদক বিরোধী অভিযানে গেলে মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে সাবদারুল নামে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হন। এ ছাড়া সদর উপজেলায় দুই দল মাদক ব্যবসায়ীর মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে আব্দুস সালাম নামের এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হন। ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশী পিস্তল, ৪ রাউন্ড গুলি, গাজা ও ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয়।
ময়মনসিংহ:
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায় মাদক ভাগাভাগির খবর পেয়ে পুলিশ অভিযানে গেলে মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে গুলি বিনিময় হয়। একপর্যায়ে মাদক ব্যবসায়ীরা পালিয়ে গেলে শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী মো. শাহজাহানকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় পুলিশের ৩ সদস্য আহত হন।
জয়পুরহাট:
জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার ভীমপুর এলাকায় র্যা বের সঙ্গে মাদক ব্যবসায়ীদের কথিত বন্দুকযুদ্ধে রেন্টু শেখ নামে এক মাদক ব্যবসায়ী গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। ঘটনাস্থল থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য, অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করেছে র্যা ব।
এছাড়াও ঠাকুরগাও, কুড়িগ্রাম, চাঁদপুর, ফেনী ও বরগুনায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে মাদক ব্যবসায়ীদের আলাদা বন্দুকযুদ্ধে আরো ৫ মাদক ব্যবসায়ী নিহত হন। এসব ঘটনায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর আরো দুই সদস্য আহত হন। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, নিহতরা প্রত্যেকে মাদক ব্যবসায়ী।