চট্টগ্রামের সাবেক এসপি বাবুল আক্তারকে বাদ দিয়েই তার স্ত্রী মিতু হত্যা মামলার অভিযোগপত্র দেয়া হতে পারে— এমন আশঙ্কা করছে নিহতের পরিবার।
পুলিশ জানিয়েছে, খুব শিগগিরই আলোচিত এই মামলার অভিযোগপত্র দেয়া হবে। তবে বাবুলের বিষয়ে তারা স্পষ্ট কিছু বলছে না।
এদিকে, অস্ত্র মামলায়ও বাবুলের সোর্স ভোলার সম্পৃক্ততার বিষয়ে অনেকটা নিশ্চিত আদালত।
চট্টগ্রামে আলোচিত পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যার কিছুদিন পর থেকেই তার স্বামীর সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠে। দুই বছরে মামলার বাদী, সাবেক এসপি বাবুল আক্তারকে তদন্তকারী কর্মকর্তা দুই বার ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন চট্টগ্রামে।
কথা বলেছেন মিতুর বাব-মা নিকটাত্মীয় ও ঘটনার সূত্রে আসা বেশ কয়েকজনের সঙ্গে।
দ্রুতই হত্যা মামলার অভিযোগপত্র দেয়া হবে বলে জানান তদন্ত কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান।
তবে বাবুল আক্তারের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ আনা হবে কিনা সেটা পরিস্কার করেননি তিনি।
এদিকে, এই হত্যাকাণ্ডে বাবুল আক্তারকে মামলার মূল আসামি হিসেবে অভিযোগপত্রে দেখতে চায় মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেন।
এ ঘটনায় দায়ের করা অস্ত্র মামলাটি বিচারাধীন হলেও খুনে ব্যবহৃত অস্ত্র বাবুল আক্তারের সোর্স ভোলার সরবরাহ করা বলে প্রমাণ পেয়েছে আদালত বলে জানান অ্যাডভোকেট ফখরুদ্দিন চৌধুরী।
উল্লেখ, ২০১৬ সালের ৫ জুন ভোরে ছেলেকে স্কুলে নিয়ে যাওয়ার পথে খুন হন মিতু। এ ঘটনায় দায়ের করা দুই মামলায় এগারো আসামির চারজন কারাগারে, জামিনে আছেন তিন জন আর পলাতক দুই জন। পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে মারা গেছেন আরো দুই জন।