দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির প্রায় দেড় লাখ মেট্রিক টন কয়লা উধাও হওয়ার ঘটনায় দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছে দুদক।
এই দুর্নীতি উদঘাটনে গঠিত তদন্ত কমিটি খুব শিগগিরই তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিবে।
মঙ্গলবার দুপুরে পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যানের সঙ্গে দেখা করার পর দুদকের তদন্ত কমিটি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
কমিটি এই বিষয়ে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যানের সঙ্গেও দেখা করেছেন।
এদিকে, বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি প্রকল্পের এমডি হাবিব উদ্দিন আহমেদ ও জিএম আবুল কাশেম প্রধানিয়াসহ ৪ র্শীষ কর্মকর্তার বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে ইমিগ্রেশনে চিঠি পাঠিয়েছে দুদক।
বড়পুকুরিয়ার কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ১ লাখ ৪২ হাজার মেট্রিক টন কয়লা উধাও হওয়ার ঘটনা তদন্তে গঠিত অনুসন্ধান কমিটির সদস্যরা
মঙ্গলবার সকালে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডে যান। সংস্থার চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার খালেদ মাহমুদের সঙ্গে বৈঠক করেন কমিটির তদারক কর্মকর্তা কাজী শফিকুল আলমসহ চার সদস্যের দল।
এরপর দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে পেট্রোবাংলা কার্যালয়ে সংস্থার চেয়ারম্যান আবুল মনসুর মো ফয়জুল্লাহসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ বৈঠক করে অনুসন্ধান কমিটি।
বৈঠক শেষে দুদক পরিচালক কাজী শফিকুল আলম সাংবাদিকদের বলেন, এই দুর্নীতির তথ্য- উপাথ্য সংগ্রহ করতেই সংস্থার চেয়ারম্যানের সঙ্গে দেখা করেছেন তারা।
এই অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।
এদিকে, বিকেলে প্রকল্পের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাবিব উদ্দিন আহমেদ, জিএম আবুল কাশেম প্রধানিয়া, জিএম আবু তাহের মো. নুরুজ্জামান ও এজিএম এ কে এম খালিদুল ইসলামের বিদেশ গমণে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে ইমিগ্রেশনে চিঠি পাঠিয়েছে দুদক।