রাজধানী ও কক্সবাজার এবং পাবনায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ৫ জন নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার ভোরে রাজধানীর রায়ের বাজার বুদ্ধিজীবী কবরস্থানের পেছনে এবং কক্সবাজারের উখিয়ায় এসব ঘটনা ঘটে।
র্যা বের দাবি, কক্সবাজারে নিহত দু’জন মাদক ব্যবসায়ী এবং ঢাকায় নিহত দুই ব্যক্তি ডাকাত।
রাজধানীর রায়ের বাজার বুদ্ধিজীবী কবরস্থানের পেছনে র্যা ব-২ এর সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ডাকাত দলের দুই সদস্য নিহত হন।
র্যা বের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সিনিয়র সহকারী পরিচালক এএসপি মিজানুর রহমান বলেন, ডাকাত দলের সদস্যরা বুদ্ধিজীবী কবরস্থানের পেছনে অবস্থান করছে, এমন সংবাদের ভিত্তিতে র্যা বের টহল দল সেখানে যায়। র্যা বের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে র্যা বও পাল্টা গুলি চালালে দুই ডাকাত আহত হয়।
গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দু’জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনাস্থল থেকে তিনটি পিস্তল, গুলি ও ডাকাতিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
কক্সবাজার:
কক্সবাজারের উখিয়ার মরিচা এলাকায় র্যা বের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুজন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার ভোরে উপজেলার মরিচ্যা বাজার চেকপোস্ট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- সীতাকুণ্ডের আবদুস সামাদ (২৭) ও যশোরের মোহাম্মদ আবু হানিফ (৩০)।
র্যা বের দাবি, নিহতরা মাদক ব্যবসায়ী। ঘটনাস্থল থেকে এক লাখ ৩০ হাজার পিস ইয়াবা ও দেশি-বিদেশি কয়েকটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
র্যা ব-৭ কক্সবাজার ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার মেজর মেহেদী হাসান, মালবাহী ট্রাকে করে ইয়াবার বিশাল চালান আসছে- এমন খবর পেয়ে ভোরে মরিচ্যা চেকপোস্ট এলাকায় তল্লাশি চালায় র্যা ব। র্যা বের তল্লাশি চৌকির কাছাকাছি আসামাত্র কক্সবাজারমুখী একটি মালবাহী ট্রাক থেকে র্যা বকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। এ সময় আত্মরক্ষার্থে র্যা বও গুলি চালায়। গোলাগুলি শেষে ট্রাক থেকে দুটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এছাড়াও ট্রাক থেকে দুটি দেশীয় অস্ত্র, একটি বিদেশি পিস্তল ও একটি ওয়ানশুটার গান উদ্ধার করা হয় বলে জানান তিনি।
এদিকে, পাবনার আতাইকুলায় পুলিশের সঙ্গে 'বন্দুকযুদ্ধে' কোরবান হোসেন (৩৬) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। সোমবার রাত দেড়টার দিকে এই 'বন্দুকযুদ্ধের' ঘটনা ঘটে। পুলিশের দাবি, নিহত কোরবান হোসেন চরমপন্থী দল নকশাল বাহিনীর আঞ্চলিক নেতা ছিলেন। তিনি আতাইকুলার যাত্রাপুর গ্রামের কিয়ামুদ্দিন প্রামানিকের ছেলে।
আতাইকুলা থানার ওসি মাসুদ রানা জানান, রাত দেড়টার দিকে খবর আসে যে, কৈজরী গ্রামের সোবহানের কাঁঠাল বাগানে একদল চরমপন্থী সন্ত্রাসী গোপন বৈঠক করছে। এরপর পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযানে যায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। এক পর্যায় সন্ত্রাসীরা পালিয়ে গেলে সেখানে গুলিবৃদ্ধ অবস্থায় এক ব্যক্তিকে পাওয়া যায়। উদ্ধার করে তাকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে স্থানীয়রা তার পরিচয় সনাক্ত করেন।
তিনি বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থাল থেকে একটি রিভলবার, ৪ রাউন্ড কার্তুজ, ২টি কার্তুজের খোসা, ২০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট, একটি ডায়াং মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে। কোরবানের বিরুদ্ধে আতাইকুলা ও পাশ্ববর্তী আটঘরিয়া থানায় হত্যা-ডাকাতিসহ বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে।