সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকায় ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি গোলাম মোস্তফাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
পুলিশ জানিয়েছে, বুধবার ভোরে রানীগ্রাম মধ্যপাড়ার নিজ বাড়ি থেকে প্রাতঃভ্রমণের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন গোলাম মোস্তফা।
রানীগ্রাম বাজারে পৌঁছালে আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা দুর্বৃত্তরা মোস্তফাকে এলোপাথারি কুপিয়ে মারাত্মক আহত করে।
পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনার জন্য জামাত ও বিএনপিকে দায়ী করেছেন আওয়ামী লীগ নেতারা।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা -ওসি (তদন্ত) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, সকালে রানীগ্রাম বাজারে একটি দোকানের সামনে বসে ছিলেন গোলাম মোস্তফা। এ সময় পেছন থেকে তাকে কুপিয়ে আহত করে পালিয়ে যায় দুর্বত্তরা।
স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশের এ কর্মকর্তা বলেন, হামলার ঘটনা পরিকল্পিত— রাজনৈতিক আধিপত্য ও দ্বন্দ্বের জেরে এ হত্যাকাণ্ড। হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
এ বিষয়ে জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মির্জা বাবু বলেন, নিজেদের মধ্যে ভাগবাটোয়ারা নিয়ে দ্বন্দ্বের কারণে গোলাম মোস্তফা খুন হয়েছেন। এখন দোষ দেয়া হচ্ছে অন্যদের ওপর— বিষয়টি পুলিশের খতিয়ে দেখা উচিত। কেউ অভিযুক্ত হলে দল তার দায় নেবে না।