ঢাকার আশুলিয়ায় ও রংপুরের গঙ্গাচড়ায় পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে ২ জন নিহত হয়েছেন।
টংগাবাড়ি এলাকায় রোববার গভীর রাতে গোলাগুলির ওই ঘটনায় শামীম হোসেন নিহম হন।
সে ডাকাত বলে দাবি পুলিশের।
ধামরাই থানার ওসি দীপক চন্দ্র সাহা জানান, তারা ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল, গুলি, রামদা চাইনিজ কুড়ালসহ বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছেন।
যশোর জেলার কোতোয়ালি থানার মহেন্দপুর গ্রামের আবুল খায়েরের ছেলে শামীমের বিরুদ্ধে সাভার, ধামরাই, গাজীপুরসহ বিভিন্ন থানায় ডাকাতিসহ আটটি মামলা রয়েছে।
ওসি বলেন, রোববার রাত ৯টার দিকে ধামরাইয়ের কালামপুর এলাকা থেকে শামীকে আটক করা হয়। পরে তাকে নিয়ে ডাকাত দলের অন্যান্য সদস্যদের ধরতে অভিযানে যায় পুলিশ। এ সময় ডাকাতরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে আত্মরক্ষায় পুলিশও গুলি করে।গোলাগুলির এক পর্য়ায়ে শামিম নিহত হন।
সাভারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আমজাদুল হক জানান, আশুলিয়া থানার এসআই আব্দুস সালাম রাত আড়াইটার দিকে শামীমকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসেন।
নিহতের বুকের মাঝখানে ও দুই পাজরে মোট তিনটি গুলি লেগেছে বলে এ চিকিৎসক জানান।
এদিকে, রংপুরের গঙ্গাচড়ায় পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
উপজেলার বেতগাড়ি এলাকায় রোববার রাতে গোলাগুলির এ ঘটনায় নিহত ব্যক্তিকে ডাকাত বলে দাবি করছেন জেলার অতিরিক্ত সুপার সাইফুর রহমান।
তবে তাৎক্ষণিকভাবে তার নাম-পরিচয় জানাতে পারেননি পুলিশ।
তিনি বলেন, বেতগাড়িতে এলাকায় একদল ডাকাত ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এ সময় টহল পুলিশের একটি দল সেখানে গেলে ডাকাতরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষায় পুলিশও পাল্টা গুলি করে। গোলাগুলির এক পর্যায়ে ডাকাত দলের একজন নিহত হন।