আজ- বুধবার ৬ মার্চ, যশোরের উদীচী হত্যাযজ্ঞের ২০তম বার্ষিকী।
বিগত ১৯৯৯ সালের এদিনে রাতে যশোর টাউন হলে মাঠে উদীচীর দ্বাদশ জাতীয় সম্মেলনের সমাপনী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে দুটি শক্তিশালী বোমা বিস্ফোরিত হয়। এতে মারা যান ১০ জন। আহত হন আড়াইশোরও বেশি মানুষ। নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের দুই দশক পেরিয়ে গেলেও বিচারের মুখোমুখি করা যায়নি ঘাতকদের। ক্ষোভ নিয়ে এবারো উদীচী হত্যাযজ্ঞের দিনটি স্মরণ করছেন যশোরবাসী।
১৯৯৯ সালের ৬ মার্চ, গভীর রাতে যশোর টাউন হল মাঠে চলছিলো উদীচীর দ্বাদশ জাতীয় সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠান। হঠাৎ করেই বিকট শব্দে দুটি শক্তিশালী বোমা বিস্ফোরিত হয়। এরপর মাঠ জুড়ে কেবলই আহাজারি আর কান্নার শব্দ। টাউন হল মাঠে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে মানুষের রক্তাক্ত দেহ। নিহত হন ১০ জন। আহত হন আড়াইশোরও বেশি মানুষ।
নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের ২০ বছর পেরিয়ে গেলেও বিচারের আওতায় আনা যায়নি ঘাতকদের। এখনো উদঘাটিত হয়নি এ হামলার রহস্য বলে জানান যশোর উদীচীর উপদেষ্টা মাহাবুবুর রহমান মজনু।
সিআইডির ত্রুটিপূর্ণ অভিযোগপত্রের কারণে ২০০৬ সালের ৩০ মে আদালত থেকে খালাস পেয়ে যায় এ মামলার সব আসামি। সরকারের পক্ষ থেকে ওই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করা হলে মামলাটি পুনরুজ্জীবিত হয়। কিন্তু আইনী বেড়াজালে আটকে আছে এখনো এটি।
এতে ক্ষুব্ধ যশোরবাসী মামলাটি দ্রুত চালু করার দাবি জানান।
বর্বরোচিত এ হামলার স্মৃতি বয়ে বেড়াচ্ছেন এ ঘটনায় আহতরা— জীবদ্দশায় এ মামলার বিচারকাজ দেখে যেতে পারবেন কিনা তা নিয়েও সন্দিহান নিহত ও আহতদের স্বজনরা।
তবে, মামলার কার্যক্রম খুব তাড়াতাড়ি শুরু হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন যশোর জজকোর্টের পিপি রফিকুল ইসলাম পিটু।
বর্তমানে মামলাটি উচ্চ আদালতে বিচারাধীন। মামলার ২৩ আসামির মধ্যে ৩ জনই মারা গেছেন। বাকি আসামিরা জামিনে আছেন।