ঢাকার কেরানীগঞ্জে রাস্তার পাশ থেকে চলচ্চিত্র অভিনেত্রী রাইমা ইসলাম শিমুর (৩৫) বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মরদেহটি বস্তায় ভরে ফেলে রাখা হয়েছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে। কে বা কারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত কিছু জানা যায়নি।
কেরানীগঞ্জের হজরতপুর ব্রিজের কাছে আলিয়াপুর এলাকায় বস্তাবন্দি অবস্থায় সোমবার দুপুরে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
এ বিষয়ে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ জানায়, মরদেহটি টুকরা করে দুটি বস্তায় ভরে ফেলে রাখা হয়েছিল। স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে খণ্ডিত অংশগুলো উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, যেহেতু মরদেহটি বস্তাবন্দি ছিলো এবং গলায় দাগ ছিলো, তাই প্রাথমিকভাবে ধারণা করর হচ্ছে এটি হত্যাকাণ্ড। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।
স্বামী ও দুই সন্তান নিয়ে শিমু রাজধানীর গ্রিনরোড এলাকার বাসায় থাকতেন। রবিবার সকালে তিনি বাসা থেকে বের হন। তাঁর মোবাইল বন্ধ থাকায় ওই রাতে কলাবাগান থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন স্বজনরা।
এদিকে, শিমু হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে তাঁর স্বামী নোবেল ও নোবেল-এর বন্ধু ফরহাদকে আটক করেছে র্যাব। সোমবার (১৭ জানুয়ারি) দিনগত রাতে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়। এসময় একটি গাড়িও জব্দ করা হয়।
শিমু’র স্বামী নোবেলকে প্রধান আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন শিমু’র ভাই শহিদুল ইসলাম খোকন। ওই মামলা নোবেল-এর বন্ধু ফরহারকেও আসামি করা হয়েছে।
শিমু চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সদস্য ছিলেন। আসন্ন নির্বাচনে ১৮৪ জনের সংগে তাঁর সদস্য পদ স্থগিত করা হয়। স্থগিত হওয়া অন্য সদস্যদের সংহে তিনি বর্তমান কমিটির বিরুদ্ধে আন্দোলনে সরব ছিলেন।
১৯৯৮ সালে কাজী হায়াৎ পরিচালিত ‘বর্তমান’ সিনেমা দিয়ে রুপালি পর্দায় তার অভিষেক হয়। একে একে অভিনয় করেছেন ৫০টিরও বেশি নাটকে। অভিনয়ের পাশাপাশি প্রযোজক হিসেবেও দর্শকরা তাঁকে পেয়েছে।