আলোচিত সিনহা হত্যা মামলায় মৃত্যুদন্ডাদেশ পাওয়া বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপ চট্টগ্রামে থাকাকালে নানা বির্তকের জন্ম দেন। বিভিন্ন অঘটনের কারণে আলোচনা-সমালোচনার কেন্দ্র ছিলেন তিনি।
শুধু নিজ বোনের জমি দখল নয় তার হাত থেকে রক্ষা পায়নি আইনজীবী নির্যাতনও। এমনকি তেল শোধনাগারের গাড়ী আটকানোসহ নানা অভিযোগে একাধিকবার বরখাস্তও হয়েছিলেন তিনি।
প্রদীপ কুমার দাশ পুলিশ বাহিনীতে যোগ দেন ১৯৯৬ সালে। ২০০৪ সালে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের কোতোয়ালি থানার সেকেন্ড অফিসার ছিলেন। ঐ সময় পাথরঘাটায় এক বিধবা নারীর জমি দখলের অভিযোগে তিনি বরখাস্ত হন। এরপর আরও নানা ঘটনায় বিতর্কিত হলেও তার ঔদ্ধত্য থামেনি।পুলিশ থেকে বরখাস্ত হওয়ার আগে তার হাতে নির্যাতন ও ক্ষতিগ্রস্থরা প্রতিবাদ করার সাহসও করেননি।
যারা প্রতিবাদ করার চেষ্টা করেছে তাদের কপালেও জুটেছিল নির্মম নির্যাতন। ২০২০ সালের ৬ আগস্ট কারাগারে যাওয়ার পর ২৮ দিনে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে ওসি প্রদীপের বিরুদ্ধে হত্যাসহ নানা অভিযোগে মামলা হয়েছে ১২ টি।
২০০৯ সালের শেষ দিকে পরিদর্শক পদে পদোন্নতি পাওয়ার পর ২০১০ সালে আবার প্রদীপের পদায়ন হয় চট্টগ্রাম নগর পুলিশ- সিএমপিতে। ২০১১ সালে দায়িত্ব পান সিএমপির পতেঙ্গা থানার ওসির।২০১৩ সালে পাঁচলাইশ থানার ওসি হওয়ার পর যুদ্ধাপরাধী আব্দুল কাদের মোল্লার ফাঁসির রায়কে ঘিরে জামায়াত-শিবিরের নাশকতা প্রতরোধে তার ভূমিকার প্রশংসা করেন পুলিশের উপরের মহল। এরই মধ্যে এক হত্যা মামলার আসামির আইনজীবীকে অন্যায়ভাবে আটক করে সমালোচনায় পড়েন প্রদীপ। এই ঘটনায় ওসি প্রদীপসহ আরও কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা হয়।