আত্মহত্যার ঠিক আগমুহূর্তে মহসিন খান তাঁর ছেলে ও মেয়ের উদ্দেশ্য বলেন, ‘তোমরা একটা ভাই, একটা বোন; তোমরা মিলেমিশে চোলো। একে অন্যের খোঁজখবর নিয়ো। আর বাবা হিসেবে আমাকে ক্ষমা করে দিয়ো। ভালো থেকো।’
এর আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লাইভে এসে ব্যক্তিজীবনের হতাশার কথা বলতে গিয়ে কয়েকবার কেঁদেও ফেলেন মহসিন খান।
আত্মহত্যার আগে ফেসবুক লাইভে ১৬ মিনিট ধরে ব্যক্তিগত জীবনের নানান হতাশার কথা বলেন আবু মহসিন খান। ১৬ মিনিট কথা বলার পর ১৬ মিনিট ২ সেকেন্ডের মাথায় লাইসেন্স করা পিস্তল দিয়ে মাথায় গুলি করেন। তখনো তাঁর ফেসবুক লাইভ চলছিল।
মহসিন খান যখন লুটিয়ে পড়েন, তখন তাঁর মুঠোফোনটি বেজে ওঠে। ধানমন্ডি ৭ নম্বর রোডের ২৫ নম্বর বাড়ির একটি ফ্ল্যাটে থাকতেন ব্যবসায়ী আবু মহসিন খান। ব্যক্তিজীবনের অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে প্রতারিত হওয়ার নানা বিষয়ে বলেন তিনি। একাকিত্ব জীবনের বেদনার কথাও বলে যান ফেসবুক লাইভে।
গতকাল বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে মহসিন খান আত্মহত্যা করেন। ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকরাম আলী মিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেন।