চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের ঘটনায় দুজনকে শনাক্তের দাবি করেছে হাটহাজারী থানা-পুলিশ। তবে তদন্তের স্বার্থে তাদের নাম পরিচয় গোপন রেখেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২২ জুলাই) বেলা ১১টায় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুহুল আমিন গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
নিপীড়নের শিকার হওয়া ছাত্রী জানিয়েছেন, এ ঘটনায় পাঁচজন ছিলেন। তাদের কথাবার্তা ও পোশাক দেখে তার মনে হয়েছে, সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি রুহুল আমিন বলেন, বিভিন্ন উপায়ে দুজনকে শনাক্ত করা গেছে। তবে তদন্তের স্বার্থে নাম-পরিচয় প্রকাশ করা যাচ্ছে না।
গত বুধবার বিকেলে এ ঘটনায় মামলা করে যৌন নিপীড়নের শিকার ওই ছাত্রী। নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের ১০ ধারায় এ মামলায় অজ্ঞাতনামা পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে।
এর আগে গত রোববার রাত সাড়ে নয়টায় ক্যাম্পাসে পাঁচ তরুণের হাতে এক ছাত্রী যৌন নিপীড়ন ও মারধরের শিকার হন। বিশ্ববিদ্যালয়ের বোটানিক্যাল গার্ডেন এলাকায় পাঁচ তরুণ ওই ছাত্রীকে বেঁধে বিবস্ত্র করে মুঠোফোনে ভিডিও ধারণ করেন। এ সময় তার সঙ্গে থাকা এক বন্ধু প্রতিবাদ করলে তাকেও মারধর করা হয়।
ঘটনা জানাজানি হলে শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান। একপর্যায়ে গত বুধবার রাতে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন ছাত্রীরা।
কর্মসূচি অব্যাহত ছিল বৃহস্পতিবারও। ক্যাম্পাসের দুই জায়গায় প্রতিবাদ-বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। তাদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন বিভাগের ১২ শিক্ষক। বিক্ষোভ হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেও।