নিয়ন্ত্রক ও তত্ত্বাবধানকারী প্রতিষ্ঠানের কাঠামোগত দুর্বলতা, অনিয়ম ও দুর্নীতির পাশাপাশি নিজেদের অভ্যন্তরীণ সীমাবদ্ধতার কারণে অর্থনৈতিক উন্নয়নে তেমন কোনো ভূমিকা রাখতে পারছে না দেশের সমবায় সমিতিগুলো জানিয়েছে ট্রান্সফারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-টিআইবি। মঙ্গলবার রাজধানীতে সংবাদ সম্মেলনে টিআইবির দেয়া এক প্রতিবেদনে এ কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়টিতে সরকারের দিক নির্দেশনা, পরিকল্পনার ঘাটতি থাকায় সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও অর্থনৈতিক উন্নয়নে এটি তেমন ভূমিকা রাখতে পারছে না বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
বর্তমানে বিশ্বে প্রায় ৮০ কোটি মানুষ সমবায়ের সদস্য এবং বিশ্বব্যাপী সমবায়ের কার্যক্রমের মাধ্যমে কর্মসংস্থান হচ্ছে প্রায় ১০ কোটি মানুষের। বাংলাদেশে ২৯ ধরনের নিবন্ধিত সমবায় সমিতির সংখ্যা এক লাখেরও বেশি। কিন্তু নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে নিবন্ধিত সমবায় সমিতির বেশিরভাগই এখন অকার্যকর হয়ে আছে। এসব সমিতির গ্রাহক ও সদস্যেদের বিনিয়োগ করা প্রায় ৯ হাজার ৭০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে বলে জানান টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।
এ সময় সমবায় ব্যবস্থার উন্নয়ন করা গেলে বিদেশি সাহায্যের ওপর থেকে নির্ভরতা কমে আসবে তবে এর জন্য কার্যকর নিরীক্ষার মাধ্যমে সমবায় সমিতিগুলোকে জবাবদিহিতার আওয়তায় আনতে হবে বলে জানান টিআইবির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান সুলতানা কামাল।