অর্থনীতি

২০১৪-১৫ অর্থবছরের বাজেট

২ লাখ ৫০ হাজার ৫০৬ কোটি টাকা

প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৭.৩%

বাজেট
বাজেট

আগামী অর্থবছরের জন্য ৭.৩% অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে ২ লাখ ৫০ হাজার ৫০৬ কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। বৃহস্পতিবার বিকালে জাতীয় সংসদে পেশ করা এ প্রস্তাবিত বাজেট আগের বাজেটের চাইতে আকারে সবচেয়ে বড় এটি। এবার বাজেটে প্রথমবারের মতো আয়কর রাজস্ব আদায় পরিকল্পনার বড় খাত।

অর্থমন্ত্রী এ পরিকল্পনাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, সরকার এ জন্য বিশেষ কিছু উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে। প্রস্তাবিত বাজেটে অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগের শর্তে দশ শতাংশ কর দিয়ে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ রাখা হয়েছে। নতুন বাজেটে করমুক্ত আয়সীমা আগের মতোই ২ লাখ ২০ হাজার টাকা রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।

জাতীয় সংসদের ইতিহাসে অতীতে সব রেকর্ড ভেঙে সবচেয়ে বড় আকারের ২ লাখ ৫০ হাজার ৫০৬ কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। যা চলতি অর্থবছরের চেয়ে ২৮ হাজার ১৫ কোটি টাকা বেশি। নতুন অর্থবছরে জাতীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ধরা হয়েছে ৭.৩%। বাজেট বক্তৃতার শুরুর দিকে প্রস্তাবিত বাজেটের প্রেক্ষাপট ও বাজেট নিয়ে প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী।

এবারের বাজেটের ১ লাখ ৭০ হাজার ১৯১ কোটি টাকাই ব্যয় হবে বেতন-ভাতাসহ নানা ধরনের চলতি খরচে। যা অনুন্নয়ন ব্যয় হিসেবে ধরা হয়েছে। আর আয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ৮২ হাজার ৯৫৪ কোটি টাকা। ঘাটতি নির্ধারণ করা হয়েছে ৬৭ হাজার ৫৫২ কোটি টাকা। যা জিডিপির ৫%।

এ ঘাটতির মধ্যে ২৪ হাজার ২৭৫ কোটি টাকা বৈদেশিক অনুদান থেকে এবং বাকি টাকা ব্যাংক ব্যবস্থা ও জাতীয় সঞ্চয়পত্রসহ অন্যান্য অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে মেটানোর পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বাজেটের প্রায় পঞ্চান্ন শতাংশের অর্থায়ন হবে রাজস্ব খাত থেকে। এজন্য করের আওতা বাড়ানো হয়েছে।

জনতুষ্টির বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিয়ে বাজেটে সবচেয়ে বেশি বরাদ্দের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে ভৌত অবকাঠামো খাতে ৩০.১৫%। এ খাতে রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ-জ্বালানি ও যোগাযোগ। রয়েছে পদ্মাসেতু প্রকল্পও। পরের অবস্থান সামাজিক অবকাঠামো খাতে ২৫.১৬%। এছাড়া, মানব সম্পদ উন্নয়নেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

চলতি অর্থবছরের মতো এবারো কালোটাকা সাদা করার সুযোগ থাকছে। অবকাঠামো খাতে নির্ধারিত পরিমাণ কর দিয়ে কালো টাকা সাদা করা যাবে।

এদিকে, বেসরকারি খাতকে উৎসাহিত এবং বিনিয়োগবান্ধব করতে থাকছে নানা ধরণের ছাড়ের সুযোগ। নতুন শিল্পের জন্য বিশেষ কর সুবিধা, পোল্ট্রি খাতে কর কমানো, বস্ত্র, টেক্সটাইল, সফটওয়্যার শিল্প, তথ্য প্রযুক্তি খাতে কর অবকাশের সুযোগ থাকছে।

করমুক্ত আয়সীমা না বাড়ানো, সরকারি সেবামুলক প্রতিষ্ঠানের ওপর করারোপ, সেলফোন আমদানিতে ১৫% ভ্যাট আরোপের প্রস্তাব রয়েছে। একইসঙ্গে সামাজিক নিরাপত্তা বলয়ের আওতায় চলতি বছরের তুলনায় ১০% বেশি মানুষকে আনার ঘোষণাও আছে প্রস্তাবিত বাজেটে।

দেশটিভি/এমএ
দেশ-বিদেশের সকল তাৎক্ষণিক সংবাদ, দেশ টিভির জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখতে, সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল:

এছাড়াও রয়েছে

স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার নারী দিবস উদযাপন

শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মোস্তাফিজুর রহমান

এক্সিম ব্যাংক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত

ইবিএইউবি-এ পালিত হলো ‘শেখ রাসেল দিবস’

আবার দাম কমেছে স্বর্ণের

জুয়েলারি পণ্য অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত উম্মোচন করবে: এফবিসিসিআই সভাপতি

গার্মেন্টস শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় একসঙ্গে কাজ করবে বিজিএমইএ, আইজি ও আয়াত এডুকেশন

‘চায়না-বাংলাদেশ বাণিজ্য সহজীকরণ’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ

সর্বশেষ খবর

স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার নারী দিবস উদযাপন

শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মোস্তাফিজুর রহমান

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইউল্যাব’ শিক্ষার্থীদের ফটোওয়াক

ভান্ডারিয়া ও মঠবাড়িয়ায় পৌর প্রশাসক নিয়োগ