রাজনৈতিক অস্থিরতা সরকারের কর রাজস্ব সংগ্রহের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলেছে বলে অর্থমন্ত্রী তার বাজেট বক্তৃতায় উল্লেখ করেছেন। গত তিন বছরের রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হওয়ার পেছনে রাজনৈতিক অস্থিরতাকেই দায়ী করেন তিনি। বৃহস্পতিবার বিকালে জাতীয় সংসদে পেশ করা এ প্রস্তাবিত বাজেট আগের তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বিশ্বব্যাংকের উদ্বৃতি দিয়ে বলেন, গত অর্থবছরে শুধুমাত্র রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে দেশের অর্থনীতিতে মোট ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার কোটি টাকা যা জিডিপির প্রায় এক শতাংশের সমান।
রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হওয়ার পাশাপাশি অর্থমন্ত্রী বিনিয়োগ ও জাতীয় আয়ে প্রবৃদ্ধি অর্জনের যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে তা পূরণের পথে প্রধান তিনটি অন্তরায় তুলে ধরেন।
উৎপাদনমুখী কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে আগামী দশ বছরে দেশে প্রায় ১৫ লাখ দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনশক্তি তৈরির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রথম পর্যায়ে আগামী তিন বছরে মোট ২ লাখ ৬০ হাজার জনকে আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। এদের মধ্যে চাকুরির নিশ্চয়তা দেয়া হতে ৭০% কর্মীকে।
গত বছর পণ্য ও সেবার আমদানি ব্যয় হ্রাস পেলেও চলতি অর্থবছরে মার্চ পর্যন্ত তা বেড়েছে ১৭.৫%। আগামী অর্থবছরে রপ্তানি আয় ও আমদানি দুটোই প্রায় ১৫% বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।