বাজারে ২০১৪-১৫ অর্থবছের বাজেটে অধিকাংশ ভোগ্যপণ্যের দাম কমানোর প্রস্তাব থাকলেও তার প্রভাব পড়েনি। আর ভোগ্যপণ্যের দাম কমানোর এ সব প্রস্তাব বাস্তবে কতটা কার্যকর হবে তা নিয়েও সংশয় ভোক্তাদের। এদিকে, রোজাকে সামনে রেখে এরইমধ্যে বাড়তে শুরু করেছে নিত্যপণ্যের দাম। বেড়েছে গরু-খাসির মাংস ও মাছের দাম।
তবে, ছোলা, খেসারি, মসুরডাল, চিনি, মসলাসহ ভোজ্য তেলের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। আর সরকারের যথাযথ মনিটরিং না থাকায় লাগামহীনভাবে দাম বাড়ছে বলে অভিযোগ ভোক্তাদের। বিক্রেতাদের দাবি, সরবরাহ কম থাকায় দাম বাড়ছে নিত্যপণ্যের।
এদিকে, জুন মাসের শেষের দিকে রোজা তাই রোজা সামনে রেখে নিত্যপণ্যের দাম বাড়া যেনো অনেকটাই নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে বাজার ব্যবস্থায়। এর সবচেয়ে ভুক্তভোগী হতে হচ্ছে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তদের। আর বাজেট পেশের পর বাড়তি ব্যয় মেটানোর দুশ্চিন্তা একটু বেশিই তাদের।
কম সরবরাহ থাকার অজুহাত থাকলেও শাক-সবজির দাম অপরিবর্তীত রয়েছে। তবে অনেকটাই বেড়েছে মাছের দাম। চাহিদা বাড়ায় সাথে সাথে তাল মিলিয়ে বেড়েছে আদা-রসুনের দাম। এ অবস্থায় রোজায় নিত্যপণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকারের কঠোর পদক্ষেপ চান ভোক্তারা।
তবে বিক্রেতাদের দাবি,পণ্যের দাম নির্ভর করে অনেকটাই পাইকারি বাজারের ওপর। এসব জায়গায় সরকারের বেশি করে তদারকি দরকার বলে অভিমত তাদের।
সব ধরনের চালের দাম অপরিবর্তীত থাকলেও বেড়েছে মাংসের দাম। রোজায় আরো দাম বাড়াবে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।