বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদের উৎপাদন ও বণ্টন ব্যবস্থাকে সাশ্রয়ী করার দিকে মনোযোগ দেওয়ার পক্ষে মতো দিয়েছেন সরকারের সংশ্লিষ্টরা। মঙ্গলবার বিদ্যুৎ ভবনে, দেশে জ্বালানি সাশ্রয়ের সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে আয়োজিত সেমিনারে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের কার্যকারিতা নিয়ে তারা এ কথা বলেন।
চাহিদা ও যোগানের সুষ্ঠু সমন্বয়ের দিকেও খেয়াল রাখার কথা— উল্লেখ করে তারা আরো বলেন, আর নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে জনপ্রিয় করতে হলে এ খাতে প্রণোদনার প্রয়োজন।
এ সময় এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন এআর খান বলেন, ‘বিদ্যুৎ এমন কোনো বিষয় নয় যেটা আমার হাতের একটা কলম পকেটে করে নিয়ে গেলাম আর গিয়ে ডেলিভারি দিলাম, এটা উৎপাদনে সময় লাগে। এটা সাশ্রয়ী ব্যবহার, এটা একটা অত্যন্ত জরুরি কাজ। গ্যাস এর একটা বিষয় আছে তা হলো ডিজিটাল গ্যাস মিটার অবশ্যই চালু করতে হবে।’
এবারের বাজেট পাশের আগে গ্যাস খাতকে মিটারের আওতায় আনা, বিদ্যুতের বিভিন্ন খাতকে কর ও শুল্কমুক্ত রাখতে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের প্রতি আহবান জানান তারা।
বাজেটে এসব বিষয় বিবেচনার আশ্বাস দিয়ে অর্থমন্ত্রী একইসঙ্গে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের উৎপাদন, বণ্টন ও নিয়ন্ত্রণকে শক্তিশালী করতে চাহিদা ও যোগানের সুষ্ঠু সমন্বয়ের পরামর্শ দেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বিদ্যুৎ, জ্বালানির সাপ্লাইয়ে যে গ্যাপ তা আমাদের কমাতে হবে। এটা কমানোএ প্রথম উপায়টি হলো আমাদের ট্রান্সমিশন ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেমটার পরিবর্তন করা।’