চাহিদার তুলনায় বাজেটের আকার খুবই ছোট তবে সক্ষমতার তুলনায় বড়—জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক।
বুধবার রাপজধানীতে বিশ্বব্যাংককের কার্যালয়ে ২০১৪-১৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট বিশ্লেষণ করে এ তথ্য জানায় আন্তর্জাতিক দাতা এ সংস্থাটি।
চলতি অর্থছরের প্রবৃদ্ধি নিয়ে বিতর্ক থাকলেও ৬.১২% প্রবৃদ্ধি সন্তোষজনক বলেও মনে করছে তারা।
অবকাঠামো, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ, গবেষণা ও কৃষি, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যসহ প্রতিটি ক্ষেত্রেই বিশাল অঙ্কের বিনিয়োগ প্রয়োজন। বিশ্বব্যাংকের হিসেবে এর পরিমাণ প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার। এর তুলনায় বাজেট তো বড় নয়ই বরং খুবই অপ্রতুল জানান বাংলাদেশে লিড ইকোনোমিস্ট ড. জাহিদ হোসেন।
তবে বাজেট বাস্তবায়নের অতীত অভিজ্ঞতা থেকে দেখা যায়, ২০১১ সাল ছাড়া কখনোই রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। বৈদেশিক ঋণ ও অনুদানের হিসেবের খাতাও মেলেনি। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের খতিয়ানও সন্তোসজনক নয়।
বিশ্বব্যাংকের হিসেবে প্রস্তাবিত বাজেটে যে কর নীতি দেয়া হয়েছে তাতে রাজস্ব আয় চলতি অর্থবছর থেকে বেশি হবে না। রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে করদাতার সংখ্যা বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।
বিশ্বব্যাংকের মতে, সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক থাকলেও চলতি বছর জিডিপির প্রবৃদ্ধি সন্তোসজনক। তবে আগামী বছর ৭.৩% লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে, ৫% বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।
রাষ্ট্রায়াত্ব ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনায় যে অনুন্নয় ব্যয় বাড়া এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে বেশি হারে ঋণ নেয়াকে উদ্বেগজনক হিসেবে দেখছে বিশ্বব্যাংক।