বিশ্বের ৪৯টি দেশে বাংলাদেশি পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রদান করছে—রোববার জাতীয় সংসদে এ কথা জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।
তিনি বলেন, সুবিধা প্রদানকারী দেশগুলোর মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত ২৮টি দেশসহ অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, নরওয়ে, সুইজারল্যান্ড, জাপান, তুরস্ক, কানাডা এবং রাশিয়া ও বেলারুশ ৭১টি পণ্যের ওপর জিএসপির আওতায় বাংলাদেশকে শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রদান করছে।
সংসদে সরকারি দলের পিনু খানের এক প্রশ্নের জবাবে এসব তথ্য জানান তিনি।
তিনি আরো বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া প্রিফারেন্সিয়াল ট্যারিফ ফর লিস্ট ডেভেলপমেন্ট কান্ট্রিস-এর আওতায় ৪ হাজার ৮২০টি পণ্যে বাংলাদেশকে শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রদান করেছে।
তিনি বলেন, চীন ডিউটি ফ্রি ট্রিটমেন্ট গ্র্যান্টেড বাই চায়নার আওতায় ৪ হাজার ৭৮৮টি পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রদান করেছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ভারত সাফটার আওতায় টোবাকো ও ড্রাগস ছাড়া সকল পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা দিচ্ছে। তিনি বলেন, সাফটা/সাপটা চুক্তির আওতায় সার্কভুক্ত অন্যান্য দেশসমূহ যেমন আফগানিস্তান, শ্রীলঙ্কা, ভুটান, নেপাল, পাকিস্তান, মালদ্বীপ নির্দিষ্ট কিছু পণ্য রপ্তানিতে বাংলাদেশকে শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রদান করেছে।
তিনি বলেন, বিমস্টেক-এর আওতায় ২৯৯টি পণ্য রপ্তানিতে থাইল্যান্ড এবং মালয়েশিয়া ২৯৭টি পণ্য রপ্তানিতে বাংলাদেশকে শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রদান করেছে।
তিনি বলেন, ২০১৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে চিলিতে বাংলাদেশি সকল পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাওয়া যাবে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, অন্যান্য দেশের কাছ থেকেও শুল্কমুক্ত সুবিধা পাওয়ার লক্ষে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। পদক্ষেপের অংশ হিসেবে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশসহ এশিয়ার অন্যান্য দেশ, ব্রাজিল, মেক্সিকো ও আর্জেন্টিনাসহ ল্যাটিন আমেরিকার বিভিন্ন দেশ এবং সিআইএসভুক্ত বিভিন্ন দেশ ও সাউথ আফ্রিকা থেকে বাংলাদেশী সকল পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা আদায়ের লক্ষ্যে সংশিষ্ট দেশের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।