রমজানে এলেই বাজারে নিত্যপন্যের দাম বাড়ে এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। বাজারে তেল, চিনি, ছোলা, পেঁয়াজ, আদা, রসুনসহ বিভিন্ন নিত্য পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। তারপরও পণ্যের বাজার চড়া। এ দাম বৃদ্ধির কারণ সম্পর্কে সঠিক জবাব দিতে না পারলেও পাইকার এবং খুচরা বিক্রেতারা একে অপরের কাঁধে দায় চাপাচ্ছেন।
রোজায় নিত্যপণ্যের দাম ভোক্তাদের হাতের নাগালেই থাকবে, সরকারের এমন আশ্বাস থাকলেও প্রথম সপ্তাহেই সবজির পাশাপাশি পেঁয়াজ, আদা, রসুন, ছোলাসহ বেশির ভাগ নিত্য পণ্যের দাম বেড়েছে।
এক সপ্তাহের ব্যবধানে খুচরা বাজারে আদা, রসুন, পেঁয়াজের দাম কেজি প্রতি ৭ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে। বরাবরের মতো এবারও খুচরা বিক্রেতারা দোষ চাপালেন পাইকার ও আড়তদারদের ওপর।
খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, কয়েকশত বস্তা মালামাল গোডাউনে মজুদ রয়েছে আর আমাদের বলছে নাই। পাইকাররা বলছে, নিলে নেন না নিলে চলে যান। বাজার তো নিয়ন্ত্রণে নাই, নিয়ন্ত্রণে থাকলে এতো দাম বাড়তো না।
তবে পাইকার বা আড়ৎদাররা খুচরা বিক্রেতাদের এ অভিযোগ মানতে নারাজ বরং তাদের দাবি, বাজারে পর্যাপ্ত পণ্য সরবরাহ থাকায় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রয়েছে।
মৌলভী বাজার বণিক সভাপতি সভাপতি হাজী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘তেল, চিনি, ছোলা যেগুলো নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম তুলনা মূলক অনেক কম। যে সব দোকান খুচরা পর্যায়ে তাদের প্রতিনিধিত্ব যারা করে তাদের এটা মনিটোরিং করা দরকার। তারা কি দাম ঠিক পর্যায়ে পণ্য বিক্রয় করছে কি-না।’
রোজার মধ্যে পেঁয়াজের দাম কমার সম্ভাবনা কম– এ কথা উল্লেখ করে আড়ৎতদারা বলছেন, পেঁয়াজের দাম রোজার জন্য বাঁড়েনি বরং ভারতে দাম দিয়ে কিনতে হচ্ছে বলেই বাংলাদেশও দাম বেশি।
এদিকে, পণ্যের দাম বৃদ্ধির সঠিক কারণ সম্পর্কে খুচরা ও পাইকারি বিক্রেতারা ভিন্নমত পোষণ করলেও বাজার মনিটরিংয়ের অভাবকেও দায়ি করছেন তারা।